মুন্সিগঞ্জে গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা নিয়ে পালানো অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা ঢাকায় আটক.
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের গ্রাহকদের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পলাতক ব্যাংক কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগকে আটক করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে ঢাকার মিরপুর-১-এর পাইকপাড়া এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও শ্রীনগর থানার পুলিশের যৌথ দল তাকে আটক করে। বুধবার সকালে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) কামরান হাসান। তিনি জানান, শরিফুজ্জামান মিরপুর-১ এলাকায় তার বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে রাতেই তাকে মুন্সিগঞ্জে নেওয়া হয়েছে। আজ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।শরিফুজ্জামান সোহাগ শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখার অফিসার (ক্যাশ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকের জমা স্লিপ ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার শাখা ব্যবস্থাপক মো. সরফুদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নথিভুক্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠায়। ব্যাংক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিনে ২৫৫ জন গ্রাহক লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে রোববার ১৮৪ জন, সোমবার ৪৬ জন এবং মঙ্গলবার ২৫ জন অভিযোগ করেন। অভিযোগগুলোতে সর্বনিম্ন ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ৮৪ লাখ টাকা পাওনা থাকার দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আত্মসাৎ হওয়া অর্থের পরিমাণ ২৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে অর্থের প্রকৃত পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হয়নি।অগ্রণী ব্যাংকের মুন্সিগঞ্জ জেলার শাখাগুলোর দায়িত্বে থাকা প্রধান কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা একজনকে অভিযুক্ত করে জিডি করেছি। একই সঙ্গে আত্মসাতের ঘটনায় ব্যাংকের আরও কেউ জড়িত কি না এবং অর্থের প্রকৃত পরিমাণ কত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক ইসমাঈল হোসেন জানান, ব্যাংক থেকে করা জিডি রোববার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। কমিশন পরবর্তী অনুসন্ধান বা তদন্তের বিষয়ে যে নির্দেশনা দেবে, সে অনুযায়ী কাজ করা হবে। তিনি বলেন, এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তাই শরিফুজ্জামানকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অগ্রণী ব্যাংকের গ্রাহকদের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পলাতক ব্যাংক কর্মকর্তা শরিফুজ্জামান সোহাগকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে ঢাকার মিরপুর-১-এর পাইকপাড়া এলাকা থেকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও শ্রীনগর থানার পুলিশের যৌথ দল তাকে আটক করে। বুধবার সকালে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) কামরান হাসান। তিনি জানান, শরিফুজ্জামান মিরপুর-১ এলাকায় তার বোনের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে রাতেই তাকে মুন্সিগঞ্জে নেওয়া হয়েছে। আজ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
শরিফুজ্জামান সোহাগ শ্রীনগর অগ্রণী ব্যাংক শাখার অফিসার (ক্যাশ) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকের জমা স্লিপ ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার শাখা ব্যবস্থাপক মো. সরফুদ্দিন থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নথিভুক্ত করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠায়। ব্যাংক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত তিন দিনে ২৫৫ জন গ্রাহক লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে রোববার ১৮৪ জন, সোমবার ৪৬ জন এবং মঙ্গলবার ২৫ জন অভিযোগ করেন। অভিযোগগুলোতে সর্বনিম্ন ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ৮৪ লাখ টাকা পাওনা থাকার দাবি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আত্মসাৎ হওয়া অর্থের পরিমাণ ২৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে অর্থের প্রকৃত পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হয়নি।
অগ্রণী ব্যাংকের মুন্সিগঞ্জ জেলার শাখাগুলোর দায়িত্বে থাকা প্রধান কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা একজনকে অভিযুক্ত করে জিডি করেছি। একই সঙ্গে আত্মসাতের ঘটনায় ব্যাংকের আরও কেউ জড়িত কি না এবং অর্থের প্রকৃত পরিমাণ কত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ নারায়ণগঞ্জ-মুন্সিগঞ্জ অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক ইসমাঈল হোসেন জানান, ব্যাংক থেকে করা জিডি রোববার প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। কমিশন পরবর্তী অনুসন্ধান বা তদন্তের বিষয়ে যে নির্দেশনা দেবে, সে অনুযায়ী কাজ করা হবে। তিনি বলেন, এখনো এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। তাই শরিফুজ্জামানকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে