অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিল মাত্র ৫৭ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ ওভারে ৪ রানে তানজিদ হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর আর কোনো বিপদ হয়নি। ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় ১৯৮ রানে। এতে ২২৮ রানের বড় লিড পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে অস্ট্রেলিয়া। ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরিতে তারা ২৮৪ রান করে। গ্রিন ২০১ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১০৪ রান করেন। তবে বড় লিড নিতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫৭ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি নেন ৫ উইকেট। হাসান মাহমুদ নেন ৩ উইকেট।
প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান মাহমুদ ম্যাচে মোট ৯ উইকেট শিকার করেন। বাংলাদেশের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়ার শেষ উইকেটটি তুলে নেন মিরাজ। নাথান লায়নকে এলবিডব্লিউ করে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ২৮৪ রানে শেষ করেন তিনি।
এর আগে অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারদের ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলেন মিরাজ। একপর্যায়ে ২০৭ রানেই অস্ট্রেলিয়ার ৭ উইকেট পড়ে যায়।
এরপর ক্যামেরন গ্রিন ও মিচেল স্টার্কের জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকেরা। গ্রিন সেঞ্চুরি তুলে নিলেও অস্ট্রেলিয়া বড় লিড নিতে পারেনি। বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৮৪ রানেই শেষ হয় তাদের ইনিংস।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করল বাংলাদেশ। ম্যাচজুড়ে টানা ১১ সেশন অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখে সফরকারীরা।
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটি অন্যতম স্মরণীয় জয়। ডারউনের এই জয় দেশের ক্রিকেটকে নতুন এক ইতিহাসের পাতায় নিয়ে গেল।