ঝালকাঠিতে গভীর রাতে ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ঝালকাঠিতে গভীর রাতে ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন.
ঝালকাঠি শহরে গভীর রাতে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ওষুধের ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার ৭ অক্টোবর সকাল ১১টায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের সামনে ‘ভুক্তভোগী সচেতন নাগরিক সমাজ’ এই মানববন্ধনটি করেছে।এসময় বক্তারা বলেন, রাতে হঠাৎ কোনো রোগীর শারীরীক অবস্থার অবনতি হলে জরুরী ওষুধ ও পরীক্ষার জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্ভোগ লাঘবে গভীর রাতেও শহরের নির্দিষ্ট কিছু ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখার জোর দাবি জানান তারা।ভুক্তভোগী সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আল আমিন এবং বাসন্ডা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. নাইম খানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এ বিষয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাদল বলেন, “সরকারী হাসপাতালে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় না, তাই বেশিরভাগ পরীক্ষা আমাদের মাধ্যমেই করতে হয়। দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের কিছু লোককে অযথা দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। জেলা প্রশাসন যদি নির্দেশ দেন, তবে আমরা রাতেও প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে প্রস্তুত। আমরা মূলত জনগণের সেবা দিতেই কাজ করতে চাই।”বাংলাদেশ কেমিষ্ট অ্যান্ড ড্রাগ সমিতি ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ সালাউদ্দিন ফেরদৌস বলেন, “আমরা পহেলা অক্টোবর থেকে শহরের দুটি দোকান সারা রাত খোলা রাখার ব্যবস্থা করেছি। এ বিষয়ে বিভিন্ন স্থানে লিফলেটও সাঁটানো হয়েছে। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে শহরে মাইকিং করে বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, বর্তমানে পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার আয়েশা ফার্মেসি ও সাধনার মোড়ের মাইসা মেডিকেল হল রাতে খোলা থাকছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ঝালকাঠি শহরে গভীর রাতে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ওষুধের ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ৭ অক্টোবর সকাল ১১টায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের সামনে ‘ভুক্তভোগী সচেতন নাগরিক সমাজ’ এই মানববন্ধনটি করেছে।
এসময় বক্তারা বলেন, রাতে হঠাৎ কোনো রোগীর শারীরীক অবস্থার অবনতি হলে জরুরী ওষুধ ও পরীক্ষার জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও দুর্ভোগ লাঘবে গভীর রাতেও শহরের নির্দিষ্ট কিছু ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখার জোর দাবি জানান তারা।
ভুক্তভোগী সচেতন নাগরিক সমাজের আয়োজনে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আল আমিন এবং বাসন্ডা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. নাইম খানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ বিষয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জহিরুল ইসলাম বাদল বলেন, “সরকারী হাসপাতালে সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয় না, তাই বেশিরভাগ পরীক্ষা আমাদের মাধ্যমেই করতে হয়। দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের কিছু লোককে অযথা দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। জেলা প্রশাসন যদি নির্দেশ দেন, তবে আমরা রাতেও প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে প্রস্তুত। আমরা মূলত জনগণের সেবা দিতেই কাজ করতে চাই।”
বাংলাদেশ কেমিষ্ট অ্যান্ড ড্রাগ সমিতি ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ সালাউদ্দিন ফেরদৌস বলেন, “আমরা পহেলা অক্টোবর থেকে শহরের দুটি দোকান সারা রাত খোলা রাখার ব্যবস্থা করেছি। এ বিষয়ে বিভিন্ন স্থানে লিফলেটও সাঁটানো হয়েছে। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে শহরে মাইকিং করে বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, বর্তমানে পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার আয়েশা ফার্মেসি ও সাধনার মোড়ের মাইসা মেডিকেল হল রাতে খোলা থাকছে।