ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রত্যর্পণ একটি আইনি প্রক্রিয়া: রণধীর জয়সওয়াল
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রত্যর্পণ একটি আইনি প্রক্রিয়া: রণধীর জয়সওয়াল.
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণকে একটি আইনি বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন আইনি দিক জড়িত রয়েছে।’বুধবার (৭ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন ।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। এই বিচারসংক্রান্ত নথি বাংলাদেশ ভারতে পাঠিয়েছে কি না এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরুর জন্য নথি প্রয়োজন কি না, সংবাদ সম্মেলনে তা জানতে চাওয়া হয়।সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, ভারতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের কর্মকাণ্ড প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাবিত দিল্লি সফরের মূল বাধা। এই মন্তব্যের বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত একটি গঠনমূলক, ইতিবাচক ও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মতো সম্পর্ক চায়। দুই দেশের জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই কূটনৈতিক যোগাযোগ চালানো হচ্ছে।’উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ওই দিনই ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে তিনি ভারতে পালিয়ে যান। তখন থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন। ঢাকা তাকে ফেরত চাইলেও তার এই অবস্থান দুই দেশের সম্পর্কে অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণকে একটি আইনি বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন আইনি দিক জড়িত রয়েছে।’
বুধবার (৭ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন ।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। এই বিচারসংক্রান্ত নথি বাংলাদেশ ভারতে পাঠিয়েছে কি না এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরুর জন্য নথি প্রয়োজন কি না, সংবাদ সম্মেলনে তা জানতে চাওয়া হয়।
সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, ভারতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের কর্মকাণ্ড প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাবিত দিল্লি সফরের মূল বাধা। এই মন্তব্যের বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত একটি গঠনমূলক, ইতিবাচক ও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মতো সম্পর্ক চায়। দুই দেশের জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই এই কূটনৈতিক যোগাযোগ চালানো হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ওই দিনই ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে তিনি ভারতে পালিয়ে যান। তখন থেকেই তিনি সেখানে অবস্থান করছেন। ঢাকা তাকে ফেরত চাইলেও তার এই অবস্থান দুই দেশের সম্পর্কে অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।