আবরার ফাহাদকে স্মরণে ঢাবিতে শিবিরের ‘ক্ষতচিহ্নের ক্যানভাস’.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকী ও নিপীড়নবিরোধী দিবস উপলক্ষে ‘ক্ষতচিহ্নের ক্যানভাস: নির্যাতনের ক্যাম্পাস’ শীর্ষক চিত্রপ্রদর্শনী ও আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। অনুষ্ঠানে বক্তারা বিগত সরকারের ছাত্রসংগঠনের সমালোচনা করার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নতুন করে কেউ আধিপত্যবাদ ও নির্যাতনের চেষ্টা করলে তা রুখে দেয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাবি শাখা ছাত্রশিবির। ঢাবি শিবিরের সভাপতি ও ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি কাজী আশিকের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসগুলোকে জাহান্নাম বানিয়ে রেখেছিল। তবে দুঃখজনকভাবে বর্তমান সরকার ও তাদের ছাত্রসংগঠনও যেন সেই ফ্যাসিবাদের প্রতিচ্ছবিতে পরিণত হয়েছে।’ বুয়েটে নির্যাতনের শিকার ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের স্ফুলিঙ্গই পাঁচ বছর পর স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। ক্ষমতাসীনদের বুঝতে হবে, সমালোচনা মানেই শত্রুতা নয়।’অনুষ্ঠানে ডাকসুর ভিপি ও ঢাবি শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘আবরার ফাহাদ, শহিদ জিয়াউর রহমান এবং জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদরা একই সূত্রে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। নতুন বাংলাদেশে আমাদের মিত্র ও শত্রু চিনতে হবে।’অন্যদিকে, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ অভিযোগ করেন, ‘ক্যাম্পাসে গেস্টরুম ও গণরুমের মাধ্যমে নির্যাতনের সংস্কৃতি ছাত্রলীগ নয়, বরং ছাত্রদলই শুরু করেছিল। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও এর পুনরাবৃত্তির আলামত দেখা যাচ্ছে।’সভাপতির বক্তব্যে মহিউদ্দিন খান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা নতুন করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী নির্যাতনের পরিকল্পনা করছে, তাদেরকেও ছাত্রলীগের মতো পরিণতি বরণ করতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাঙ্গণে সব ধরনের নিপীড়ন রুখে দিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়তে সব ছাত্রসংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকী ও নিপীড়নবিরোধী দিবস উপলক্ষে ‘ক্ষতচিহ্নের ক্যানভাস: নির্যাতনের ক্যাম্পাস’ শীর্ষক চিত্রপ্রদর্শনী ও আলোচনা সভা করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। অনুষ্ঠানে বক্তারা বিগত সরকারের ছাত্রসংগঠনের সমালোচনা করার পাশাপাশি ক্যাম্পাসে নতুন করে কেউ আধিপত্যবাদ ও নির্যাতনের চেষ্টা করলে তা রুখে দেয়ার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে দিনব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করে ঢাবি শাখা ছাত্রশিবির। ঢাবি শিবিরের সভাপতি ও ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি কাজী আশিকের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসগুলোকে জাহান্নাম বানিয়ে রেখেছিল। তবে দুঃখজনকভাবে বর্তমান সরকার ও তাদের ছাত্রসংগঠনও যেন সেই ফ্যাসিবাদের প্রতিচ্ছবিতে পরিণত হয়েছে।’ বুয়েটে নির্যাতনের শিকার ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগের স্ফুলিঙ্গই পাঁচ বছর পর স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। ক্ষমতাসীনদের বুঝতে হবে, সমালোচনা মানেই শত্রুতা নয়।’
অনুষ্ঠানে ডাকসুর ভিপি ও ঢাবি শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ‘আবরার ফাহাদ, শহিদ জিয়াউর রহমান এবং জুলাই অভ্যুত্থানের শহিদরা একই সূত্রে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। নতুন বাংলাদেশে আমাদের মিত্র ও শত্রু চিনতে হবে।’
অন্যদিকে, ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ অভিযোগ করেন, ‘ক্যাম্পাসে গেস্টরুম ও গণরুমের মাধ্যমে নির্যাতনের সংস্কৃতি ছাত্রলীগ নয়, বরং ছাত্রদলই শুরু করেছিল। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও এর পুনরাবৃত্তির আলামত দেখা যাচ্ছে।’
সভাপতির বক্তব্যে মহিউদ্দিন খান কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা নতুন করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী নির্যাতনের পরিকল্পনা করছে, তাদেরকেও ছাত্রলীগের মতো পরিণতি বরণ করতে হবে।’ এ সময় শিক্ষাঙ্গণে সব ধরনের নিপীড়ন রুখে দিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ, স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়তে সব ছাত্রসংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।