২৭ কাঠা জমি দখলের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা চায় ভুক্তভোগীরা
ঢাকা প্রোব প্রতিবেদক
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
২৭ কাঠা জমি দখলের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা চায় ভুক্তভোগীরা.
রাজধানীর অদূরে একটি আবাসন প্রকল্পের প্রায় ২৭ কাঠা জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জমির মালিক ও ভুক্তভোগীরা।সোমবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে জমির মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার অনুরোধ জানানো হয়।লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা বলেন, সংশ্লিষ্ট আবাসন প্রকল্পের আওতাধীন এলাকায় তারা প্রায় ২৭ কাঠা জমি ক্রয় করেছেন, যার আনুমানিক মূল্য ২২ কোটি টাকা। জমি ক্রয়ের পর গত প্রায় দুই বছর ধরে তারা সেখানে সীমানা নির্ধারণ ও দখল ভোগ করে আসছেন বলে দাবি করেন।তাদের অভিযোগ, জমির প্রকৃত মালিকানা ও বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ভূমিদস্যু চক্র বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে জমি দখলের চেষ্টা করছে। এ সময় তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ বিষয়ে স্থানীয় থানায় একাধিক জিডি ও অভিযোগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, এখনো প্রত্যাশিতভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।ভুক্তভোগীরা জানান, জমির মালিকানা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা বৈধ দলিল, সরকারি রেকর্ড, আদালতের সিদ্ধান্ত এবং প্রচলিত আইনের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ক্ষমতা, প্রভাব কিংবা অন্য কোনো উপায়ে অন্যের বৈধ সম্পত্তি দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিসংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত, জমির দলিল ও খতিয়ানসহ সরকারি রেকর্ড যাচাই, কোনো অনিয়ম বা অবৈধ দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকৃত মালিক বা বৈধ দাবিদারদের অধিকার নিশ্চিত করা।এ ছাড়া ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন কেউ অবৈধভাবে জমি দখল বা হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদনসংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হোক।তারা বলেন, “আমাদের দাবি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া নয়। আমরা সত্য উদ্ঘাটন, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, তাদের কাছে থাকা প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণ সাংবাদিকদের যাচাইয়ের জন্য উপস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেওয়া হবে বলে জানান আয়োজকেরা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
রাজধানীর অদূরে একটি আবাসন প্রকল্পের প্রায় ২৭ কাঠা জমি দখলের চেষ্টা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট জমির মালিক ও ভুক্তভোগীরা।
সোমবার (৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে জমির মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার অনুরোধ জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা বলেন, সংশ্লিষ্ট আবাসন প্রকল্পের আওতাধীন এলাকায় তারা প্রায় ২৭ কাঠা জমি ক্রয় করেছেন, যার আনুমানিক মূল্য ২২ কোটি টাকা। জমি ক্রয়ের পর গত প্রায় দুই বছর ধরে তারা সেখানে সীমানা নির্ধারণ ও দখল ভোগ করে আসছেন বলে দাবি করেন।
তাদের অভিযোগ, জমির প্রকৃত মালিকানা ও বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও একটি ভূমিদস্যু চক্র বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে জমি দখলের চেষ্টা করছে। এ সময় তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এ বিষয়ে স্থানীয় থানায় একাধিক জিডি ও অভিযোগ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, এখনো প্রত্যাশিতভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ভুক্তভোগীরা জানান, জমির মালিকানা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা বৈধ দলিল, সরকারি রেকর্ড, আদালতের সিদ্ধান্ত এবং প্রচলিত আইনের ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যেন ক্ষমতা, প্রভাব কিংবা অন্য কোনো উপায়ে অন্যের বৈধ সম্পত্তি দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত, জমির দলিল ও খতিয়ানসহ সরকারি রেকর্ড যাচাই, কোনো অনিয়ম বা অবৈধ দখলের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রকৃত মালিক বা বৈধ দাবিদারদের অধিকার নিশ্চিত করা।
এ ছাড়া ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন কেউ অবৈধভাবে জমি দখল বা হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হোক।
তারা বলেন, “আমাদের দাবি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া নয়। আমরা সত্য উদ্ঘাটন, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রকৃত মালিকের অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, তাদের কাছে থাকা প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র ও তথ্য-প্রমাণ সাংবাদিকদের যাচাইয়ের জন্য উপস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেওয়া হবে বলে জানান আয়োজকেরা।