গাজী নজরুলের ৪ দিন, প্রথম স্ত্রী মাকসুদার ১ দিনের রিমান্ড
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৫ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
গাজী নজরুলের ৪ দিন, প্রথম স্ত্রী মাকসুদার ১ দিনের রিমান্ড.
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। গাজী নজরুলকে চার দিন এবং মাকসুদা বেগমকে এক দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুজ্জোহা সরকার দুজনের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকসুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমানসহ অন্য আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন।পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মরিয়ম খাতুনের ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যুর সময় মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা একই বাসায় ছিলেন। তার মৃত্যুর পেছনে তাদের কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা জানতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।আবেদনে আরও বলা হয়, আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় সহায়তার বিষয়ে আসামিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ ছাড়া মামলার পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের ভূমিকা এবং তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের বিষয়েও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটি গাজী নজরুল ইসলামের নামে বরাদ্দ ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, মরিয়মকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুল্লাহকে আসামি করা হয়েছে। পরে গাজী নজরুল ও মাকসুদাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুজ্জোহা সরকার আদালতে তাদের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়েছিলেন। আদালতের আদেশের পর গাজী নজরুলকে চার দিন এবং মাকসুদাকে এক দিনের জন্য হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। গাজী নজরুলকে চার দিন এবং মাকসুদা বেগমকে এক দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুজ্জোহা সরকার দুজনের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকসুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমানসহ অন্য আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন।
পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মরিয়ম খাতুনের ফাঁস লাগিয়ে মৃত্যুর সময় মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা একই বাসায় ছিলেন। তার মৃত্যুর পেছনে তাদের কোনো প্রভাব ছিল কি না, তা জানতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
আবেদনে আরও বলা হয়, আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় সহায়তার বিষয়ে আসামিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ ছাড়া মামলার পলাতক আসামি ওবায়দুর রহমানের ভূমিকা এবং তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের বিষয়েও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটি গাজী নজরুল ইসলামের নামে বরাদ্দ ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, মরিয়মকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং শ্যালক ওবায়দুল্লাহকে আসামি করা হয়েছে। পরে গাজী নজরুল ও মাকসুদাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামসুজ্জোহা সরকার আদালতে তাদের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়েছিলেন। আদালতের আদেশের পর গাজী নজরুলকে চার দিন এবং মাকসুদাকে এক দিনের জন্য হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।