সাপে কামড়ালে কী করবেন, কী করা যাবে না.
অন্ধকার রাত। পথ ধরে হেঁটে হেঁটে বাড়ি যাচ্ছেন। ঘাসের ওপর খসখস শব্দ। কিছু বোঝার আগেই মুহূর্তে পায়ে ছোবল দিল এক বিষধর সাপ।গ্রামের হাটে বা মাঠে এমন দৃশ্য অহরহ। বর্ষা আর শীতে বাড়ে সাপের উপদ্রব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলে, দেশে প্রতিবছর প্রায় চার লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। মারা যান সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ। শুধু ভুল চিকিৎসা আর ওঝার কাছে গিয়ে সময় নষ্ট করার কারণেই অকালে ঝরে যায় এই প্রাণগুলো।কিন্তু একটু সচেতনতাই পারে জীবন বাঁচাতে।রাতে বের হলে টর্চলাইট আর লাঠি সঙ্গে রাখুন। ঝোপঝাড়ে হাঁটার আগে লাঠি দিয়ে টোকা দিন, সাপ সরে যাবে। মাঠে নামলে লম্বা বুট জুতো ও মোটা প্যান্ট পরুন। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখুন, ঘরে ইঁদুরের উপদ্রব কমান। আর রাতে অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমান।যদি কেউ কামড়ের শিকার হন, তবে আতঙ্কিত হওয়া চলবে না। মানতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘RIGHT’ পদ্ধতি।রোগীকে আশ্বস্ত করুন, ভয় পেলে বিষ দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত অঙ্গ বাঁশ বা কাঠ দিয়ে স্থির করে বেঁধে ফেলুন, একদম নাড়াবেন না। আর এক মুহূর্তও না হারিয়ে সোজা নিয়ে যান হাসপাতালে। চিকিৎসককে পুরো বিষয়টি খুলে বলুন।মনে রাখবেন, রশি দিয়ে শক্ত বাঁধন দেওয়া, ক্ষতস্থান কাটা বা মুখ দিয়ে বিষ চোষা প্রাণঘাতী ভুল। ওঝার কাছে গিয়ে জীবন বিপন্ন করবেন না।সব সরকারি হাসপাতালে এখন বিনামূল্যে অ্যান্টিভেনম পাওয়া যায়। কামড়ের এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছাতে পারলে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব। ভয় নয়, সঠিক পদক্ষেপই বাঁচাবে প্রাণ।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
অন্ধকার রাত। পথ ধরে হেঁটে হেঁটে বাড়ি যাচ্ছেন। ঘাসের ওপর খসখস শব্দ। কিছু বোঝার আগেই মুহূর্তে পায়ে ছোবল দিল এক বিষধর সাপ।
গ্রামের হাটে বা মাঠে এমন দৃশ্য অহরহ। বর্ষা আর শীতে বাড়ে সাপের উপদ্রব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলে, দেশে প্রতিবছর প্রায় চার লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। মারা যান সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ। শুধু ভুল চিকিৎসা আর ওঝার কাছে গিয়ে সময় নষ্ট করার কারণেই অকালে ঝরে যায় এই প্রাণগুলো।
কিন্তু একটু সচেতনতাই পারে জীবন বাঁচাতে।
রাতে বের হলে টর্চলাইট আর লাঠি সঙ্গে রাখুন। ঝোপঝাড়ে হাঁটার আগে লাঠি দিয়ে টোকা দিন, সাপ সরে যাবে। মাঠে নামলে লম্বা বুট জুতো ও মোটা প্যান্ট পরুন। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখুন, ঘরে ইঁদুরের উপদ্রব কমান। আর রাতে অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমান।
যদি কেউ কামড়ের শিকার হন, তবে আতঙ্কিত হওয়া চলবে না। মানতে হবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘RIGHT’ পদ্ধতি।
রোগীকে আশ্বস্ত করুন, ভয় পেলে বিষ দ্রুত ছড়ায়। আক্রান্ত অঙ্গ বাঁশ বা কাঠ দিয়ে স্থির করে বেঁধে ফেলুন, একদম নাড়াবেন না। আর এক মুহূর্তও না হারিয়ে সোজা নিয়ে যান হাসপাতালে। চিকিৎসককে পুরো বিষয়টি খুলে বলুন।
মনে রাখবেন, রশি দিয়ে শক্ত বাঁধন দেওয়া, ক্ষতস্থান কাটা বা মুখ দিয়ে বিষ চোষা প্রাণঘাতী ভুল। ওঝার কাছে গিয়ে জীবন বিপন্ন করবেন না।
সব সরকারি হাসপাতালে এখন বিনামূল্যে অ্যান্টিভেনম পাওয়া যায়। কামড়ের এক থেকে দুই ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছাতে পারলে রোগীকে বাঁচানো সম্ভব। ভয় নয়, সঠিক পদক্ষেপই বাঁচাবে প্রাণ।