ঘূর্ণিঝড় কীভাবে সৃষ্টি হয়, কোন ক্যাটাগরি বেশি ধ্বংসাত্মক?
ফিচার ডেস্ক
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ঘূর্ণিঝড় কীভাবে সৃষ্টি হয়, কোন ক্যাটাগরি বেশি ধ্বংসাত্মক?.
সাগরের শান্ত পানি হঠাৎ চঞ্চল। বদলে যায় বাতাসের মেজাজ।এর পেছনে সবচেয়ে বড় খলনায়ক সমুদ্রের গরম পানি—কমপক্ষে ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। যখন এই বিশাল জলরাশি থেকে বাষ্প হয়ে ওঠা গরম বাতাস দ্রুত ওপরে উঠে যায়, তখন নিচে তৈরি হয় এক গভীর শূন্যতা। আর সেই ফাঁকা জায়গা দখল করতে চারিদিক থেকে পাগলের মতো ছুটে আসে ঠাণ্ডা বাতাস। পৃথিবীর নিজ অক্ষের ঘূর্ণনের ধাক্কায় এই পুরো বাতাসটা ঘূর্ণিপাকের রূপ নেয়। ধীরে ধীরে ঘনীভূত হয়ে মেঘের আড়ালে জন্ম নেয় এক দানব—ঘূর্ণিঝড়।কিন্তু সব ঝড় কি সমান ভয়ঙ্কর?একেবারেই না। সাফির-সিম্পসন স্কেলে ঘূর্ণিঝড়কে ১ থেকে ৫টি ক্যাটাগরিতে মাপা হয়।এর মধ্যে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক হলো ক্যাটাগরি-৫।ঘণ্টায় ২৫২ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি গতিবেগের ঝড়ো বাতাস নিয়ে যখন একটি ক্যাটাগরি-৫ ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আছড়ে পড়ে, তখন প্রলয় নেমে আসে। গাছপালা উপড়ে যাওয়া কিংবা টিনের চাল উড়ে যাওয়া তো সামান্য ব্যাপার; আস্ত দালানকোঠা তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে যায় এতে। এর সঙ্গে যোগ হয় বিশাল জলোচ্ছ্বাস। মুহূর্তে ভাসিয়ে নিয়ে যায় মাইলের পর মাইল লোকালয়।২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশকে এমনই এক বিভীষিকার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। নাম তার ‘সিডর’। সেটি ছিল পূর্ণাঙ্গ ক্যাটাগরি ৫ মাত্রার এক প্রলয়ংকরী সুপার সাইক্লোন। যখন সিডর উপকূলে আছড়ে পড়ে, তখন বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার!তাছাড়া ঘূর্ণিঝড় ক্যাটাগরি ১ এর গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৯–১৫৩ কিমি (গাছের ডাল ভাঙে), ক্যাটাগরি ২: ঘণ্টায় ১৫৪–১৭৭ কিমি (ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়), ক্যাটাগরি ৩: ঘণ্টায় ১৭৮–২০৮ কিমি (বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে) , ক্যাটাগরি ৪: ঘণ্টায় ২০৯–২৫১ কিমি (উপকূল লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়)
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সাগরের শান্ত পানি হঠাৎ চঞ্চল। বদলে যায় বাতাসের মেজাজ।
এর পেছনে সবচেয়ে বড় খলনায়ক সমুদ্রের গরম পানি—কমপক্ষে ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। যখন এই বিশাল জলরাশি থেকে বাষ্প হয়ে ওঠা গরম বাতাস দ্রুত ওপরে উঠে যায়, তখন নিচে তৈরি হয় এক গভীর শূন্যতা। আর সেই ফাঁকা জায়গা দখল করতে চারিদিক থেকে পাগলের মতো ছুটে আসে ঠাণ্ডা বাতাস। পৃথিবীর নিজ অক্ষের ঘূর্ণনের ধাক্কায় এই পুরো বাতাসটা ঘূর্ণিপাকের রূপ নেয়। ধীরে ধীরে ঘনীভূত হয়ে মেঘের আড়ালে জন্ম নেয় এক দানব—ঘূর্ণিঝড়।
কিন্তু সব ঝড় কি সমান ভয়ঙ্কর?
একেবারেই না। সাফির-সিম্পসন স্কেলে ঘূর্ণিঝড়কে ১ থেকে ৫টি ক্যাটাগরিতে মাপা হয়।
এর মধ্যে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক হলো ক্যাটাগরি-৫।
ঘণ্টায় ২৫২ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি গতিবেগের ঝড়ো বাতাস নিয়ে যখন একটি ক্যাটাগরি-৫ ঘূর্ণিঝড় উপকূলে আছড়ে পড়ে, তখন প্রলয় নেমে আসে। গাছপালা উপড়ে যাওয়া কিংবা টিনের চাল উড়ে যাওয়া তো সামান্য ব্যাপার; আস্ত দালানকোঠা তাসের ঘরের মতো গুঁড়িয়ে যায় এতে। এর সঙ্গে যোগ হয় বিশাল জলোচ্ছ্বাস। মুহূর্তে ভাসিয়ে নিয়ে যায় মাইলের পর মাইল লোকালয়।
২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশকে এমনই এক বিভীষিকার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। নাম তার ‘সিডর’। সেটি ছিল পূর্ণাঙ্গ ক্যাটাগরি ৫ মাত্রার এক প্রলয়ংকরী সুপার সাইক্লোন। যখন সিডর উপকূলে আছড়ে পড়ে, তখন বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার!