সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ, ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত
অর্থনীতি ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
ছবি সংগৃহীত
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ, ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা বরখাস্ত.
ইসলামী ব্যাংকের যে কর্মকর্তা সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলমসহ (এস আলম) ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করেছিলেন, তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন।ইসলামী ব্যাংকের সেই কর্মকর্তা হচ্ছেন মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ট্রেনিং একাডেমিতে সংযুক্ত করেছে। ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, সাইফুল আলমসহ (এস আলম) ৩৮ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য দুদকে অভিযোগ করেছিলেন ইয়াসীন আলী।বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, শাখা পর্যায় থেকে দুদকে অভিযোগ করার সুযোগ নেই। ঋণের ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে আদালতে যাওয়া হয়। আদালত প্রয়োজন মনে করলে অধিকতর তদন্তের জন্য দুদকে পাঠান। এ ছাড়া দুদকের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আলাদা বিভাগ আছে।তিনি আরও বলেন, শাখার কর্মকর্তা কেন দুদকে অভিযোগ জমা দিলেন, তা পরিষ্কার নয়। বিভাগীয় তদন্তের জন্য তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাংক নিয়ম মেনে আদালতের কাছে যাবে।তবে ব্যাংকের নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৬ জুলাইয়ের সিদ্ধান্তের পর ইসলামী ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলীকে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব দেওয়া হয়। সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্যালাক্সি সোয়েটার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগ করার জন্য তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২৭ জুলাই জারি করা চিঠিতে শাখা ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে তাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হয়।সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জে এম সি বিল্ডার্স লিমিটেডের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তিনি ব্যাংকের পরিচালকের পদ ছেড়ে দেন। নথি অনুযায়ী ২০১৭ সালের ৮ জুন থেকে ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ইসলামী ব্যাংকের যে কর্মকর্তা সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও বিতর্কিত ব্যবসায়ী সাইফুল আলমসহ (এস আলম) ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করেছিলেন, তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন।
ইসলামী ব্যাংকের সেই কর্মকর্তা হচ্ছেন মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ট্রেনিং একাডেমিতে সংযুক্ত করেছে। ইসলামী ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, সাইফুল আলমসহ (এস আলম) ৩৮ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের জন্য দুদকে অভিযোগ করেছিলেন ইয়াসীন আলী।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, শাখা পর্যায় থেকে দুদকে অভিযোগ করার সুযোগ নেই। ঋণের ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে আদালতে যাওয়া হয়। আদালত প্রয়োজন মনে করলে অধিকতর তদন্তের জন্য দুদকে পাঠান। এ ছাড়া দুদকের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আলাদা বিভাগ আছে।
তিনি আরও বলেন, শাখার কর্মকর্তা কেন দুদকে অভিযোগ জমা দিলেন, তা পরিষ্কার নয়। বিভাগীয় তদন্তের জন্য তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাংক নিয়ম মেনে আদালতের কাছে যাবে।
তবে ব্যাংকের নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৬ জুলাইয়ের সিদ্ধান্তের পর ইসলামী ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলীকে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব দেওয়া হয়। সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্যালাক্সি সোয়েটার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগ করার জন্য তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২৭ জুলাই জারি করা চিঠিতে শাখা ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে তাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হয়।
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জে এম সি বিল্ডার্স লিমিটেডের প্রতিনিধি হিসেবে ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তিনি ব্যাংকের পরিচালকের পদ ছেড়ে দেন। নথি অনুযায়ী ২০১৭ সালের ৮ জুন থেকে ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।