অতিবৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
অতিবৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টানা বৃষ্টি ও পরবর্তী সময়ে তীব্র রোদের কারণে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অতিরিক্ত পানিতে অনেক তরমুজ পচে যাওয়ার পাশাপাশি তীব্র রোদের কারণে ফলের আকার ছোট হয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি প্রণোদনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় প্রায় ৫ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের আবাদ হয়েছে। উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামে প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি পরিবার সুগার কিং, ব্ল্যাক বেবি, সুইট ব্ল্যাক-২ ও মধুবালা জাতের অফসিজন তরমুজ চাষ করেছে।কৃষকেরা জানান, টানা বৃষ্টি এবং পরবর্তী সময়ে তীব্র রোদের কারণে অনেক তরমুজ পচে গেছে। একই সঙ্গে ফলের আকারও ছোট হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে তাঁদের খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। অনুকূল আবহাওয়ায় প্রতি বিঘা জমি থেকে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত তরমুজ বিক্রির আশা থাকলেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে এবার উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।কৃষকেরা আরও জানান, জমিতে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় তরমুজগাছে উইল্টিং ও গোড়াপচা রোগের আক্রমণ হয়েছে। এতে ফলন্ত তরমুজ পচে নষ্ট হওয়ায় প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা ও আর্থিক অনিশ্চয়তা।কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জমি থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাশন, উঁচু বেড তৈরি এবং নিয়মিত ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে এ ধরনের ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব। পাশাপাশি রোগবালাইয়ের ঝুঁকি কমাতে শস্য বিন্যাস বা ক্রপ রোটেশন পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইমন মিয়া বলেন, তরমুজ চাষে ভালো লাভের আশা করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু বৃষ্টি ও অতিরিক্ত রোদের কারণে এবার উৎপাদন কমে যাওয়ায় তাঁদের বড় ধরনের লোকসান হয়েছে।সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি প্রণোদনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলছেন, কৃষকদের প্রযুক্তিগত পরামর্শের পাশাপাশি দ্রুত সরকারি প্রণোদনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হলে ক্ষতি কাটিয়ে উঠে তাঁরা আবারও তরমুজ চাষে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টানা বৃষ্টি ও পরবর্তী সময়ে তীব্র রোদের কারণে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অতিরিক্ত পানিতে অনেক তরমুজ পচে যাওয়ার পাশাপাশি তীব্র রোদের কারণে ফলের আকার ছোট হয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি প্রণোদনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় প্রায় ৫ হেক্টর জমিতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের আবাদ হয়েছে। উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামে প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি পরিবার সুগার কিং, ব্ল্যাক বেবি, সুইট ব্ল্যাক-২ ও মধুবালা জাতের অফসিজন তরমুজ চাষ করেছে।
কৃষকেরা জানান, টানা বৃষ্টি এবং পরবর্তী সময়ে তীব্র রোদের কারণে অনেক তরমুজ পচে গেছে। একই সঙ্গে ফলের আকারও ছোট হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে তরমুজ চাষে তাঁদের খরচ হয়েছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। অনুকূল আবহাওয়ায় প্রতি বিঘা জমি থেকে ৮০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত তরমুজ বিক্রির আশা থাকলেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে এবার উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
কৃষকেরা আরও জানান, জমিতে দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় তরমুজগাছে উইল্টিং ও গোড়াপচা রোগের আক্রমণ হয়েছে। এতে ফলন্ত তরমুজ পচে নষ্ট হওয়ায় প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা ও আর্থিক অনিশ্চয়তা।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জমি থেকে দ্রুত পানি নিষ্কাশন, উঁচু বেড তৈরি এবং নিয়মিত ছত্রাকনাশক ও বালাইনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে এ ধরনের ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব। পাশাপাশি রোগবালাইয়ের ঝুঁকি কমাতে শস্য বিন্যাস বা ক্রপ রোটেশন পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইমন মিয়া বলেন, তরমুজ চাষে ভালো লাভের আশা করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু বৃষ্টি ও অতিরিক্ত রোদের কারণে এবার উৎপাদন কমে যাওয়ায় তাঁদের বড় ধরনের লোকসান হয়েছে।
সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারি প্রণোদনার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
স্থানীয় উদ্যোক্তারা বলছেন, কৃষকদের প্রযুক্তিগত পরামর্শের পাশাপাশি দ্রুত সরকারি প্রণোদনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হলে ক্ষতি কাটিয়ে উঠে তাঁরা আবারও তরমুজ চাষে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।