সরকার গণমাধ্যমে সুস্থ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়: তথ্যমন্ত্রী
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
সরকার গণমাধ্যমে সুস্থ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়: তথ্যমন্ত্রী.
সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, কার্যকর নীতিমালার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে পারলে গণমাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়বে, সাংবাদিকদের জন্য উন্নত বেতন-কাঠামো, কর্মপরিবেশ ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।গণতন্ত্রের বিকাশে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বরং সরকার বিশ্বাস করে, একটি টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।তিনি বলেন, গণমাধ্যমের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যে উদ্বেগ একসময় ছিল, বর্তমান বাস্তবতায় সেই পরিস্থিতি নেই।তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যা রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাই এ পেশার মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তবে এর জন্য সরকার একা কাজ করতে পারবে না; গণমাধ্যমের মালিক, সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় লড়াই হচ্ছে সঠিক তথ্য ও অপতথ্যের মধ্যে।তাই বস্তুনিষ্ঠ, নির্ভুল ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করাও সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, কার্যকর নীতিমালার মাধ্যমে একটি সুস্থ ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে পারলে গণমাধ্যমে বিনিয়োগ বাড়বে, সাংবাদিকদের জন্য উন্নত বেতন-কাঠামো, কর্মপরিবেশ ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত ‘টেকসই গণতন্ত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।
গণতন্ত্রের বিকাশে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বরং সরকার বিশ্বাস করে, একটি টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যে উদ্বেগ একসময় ছিল, বর্তমান বাস্তবতায় সেই পরিস্থিতি নেই।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা, যা রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাই এ পেশার মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তবে এর জন্য সরকার একা কাজ করতে পারবে না; গণমাধ্যমের মালিক, সাংবাদিক, বিজ্ঞাপনদাতা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে বড় লড়াই হচ্ছে সঠিক তথ্য ও অপতথ্যের মধ্যে।
তাই বস্তুনিষ্ঠ, নির্ভুল ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করাও সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।