ভুয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণা, রাসেল হাওলাদারের এক বছরের কারাদণ্ড
পটুয়াখালী প্রতিনিধি
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ভুয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণা, রাসেল হাওলাদারের এক বছরের কারাদণ্ড.
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে প্রতারণা, জাল নিয়োগপত্র তৈরি এবং ৪৪তম বিসিএসের গেজেটের তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে পরিবর্তনের অভিযোগে মো. রাসেল হাওলাদার (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।দণ্ডপ্রাপ্ত রাসেল হাওলাদার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার প্রতাপ এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে।প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এবং প্রতারণার মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রাসেলের বিরুদ্ধে। কুয়াকাটার সি স্টার ইন হোটেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে কক্ষ বুকিং এবং একটি বিকাশের দোকান থেকে ৩০ হাজার টাকা চার্জ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।এ ছাড়া ৪৪তম বিসিএসের গেজেটে ২৩২ নম্বর ক্রমিকে থাকা মো. রাসেল মিয়ার নাম পরিবর্তন করে ‘মো. রাসেল হাওলাদার’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গেজেটের তথ্য বিকৃত করা হয়েছে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগপত্র জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে রাসেলের বিরুদ্ধে। এসব নথি ব্যবহার করে নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।রাসেল হাওলাদার বলেন, ‘আমার পরিবারের সদস্যরা জানেন, আমি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। আমার সব কাগজপত্র, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গেজেটসহ সবকিছু এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আমার পরিবারের কেউ এর সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং তারা এ বিষয়ে জানেন না। তবে আমি টিউশন করে জীবিকা নির্বাহ করি।’নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় রাসেল হাওলাদারকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, এ অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। রাসেল হাওলাদারকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।পরে তাকে মহিপুর থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে প্রতারণা, জাল নিয়োগপত্র তৈরি এবং ৪৪তম বিসিএসের গেজেটের তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে পরিবর্তনের অভিযোগে মো. রাসেল হাওলাদার (২৮) নামে এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত রাসেল হাওলাদার ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার প্রতাপ এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নিজেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এবং প্রতারণার মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রাসেলের বিরুদ্ধে। কুয়াকাটার সি স্টার ইন হোটেলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে কক্ষ বুকিং এবং একটি বিকাশের দোকান থেকে ৩০ হাজার টাকা চার্জ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ ছাড়া ৪৪তম বিসিএসের গেজেটে ২৩২ নম্বর ক্রমিকে থাকা মো. রাসেল মিয়ার নাম পরিবর্তন করে ‘মো. রাসেল হাওলাদার’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গেজেটের তথ্য বিকৃত করা হয়েছে বলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগপত্র জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে রাসেলের বিরুদ্ধে। এসব নথি ব্যবহার করে নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
রাসেল হাওলাদার বলেন, ‘আমার পরিবারের সদস্যরা জানেন, আমি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। আমার সব কাগজপত্র, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গেজেটসহ সবকিছু এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আমার পরিবারের কেউ এর সঙ্গে সম্পৃক্ত নন এবং তারা এ বিষয়ে জানেন না। তবে আমি টিউশন করে জীবিকা নির্বাহ করি।’
নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় রাসেল হাওলাদারকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন সাদেক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, এ অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। রাসেল হাওলাদারকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।