ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৬ জনের, নতুন রোগী ১৬৫৫.
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ জনে। নতুন করে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৫ জন ডেঙ্গুরোগী।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে সর্বোচ্চ চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১৪ জন। এরপর ঢাকা বিভাগে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ২৮১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১৬৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৬৭ জন, খুলনা বিভাগে ২৭১ জন, বরিশাল বিভাগে ২১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৩ জন, রংপুর বিভাগে ৪১ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯০ জনে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ৬২৭ জন।এদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৮৩ জন ডেঙ্গুরোগী। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৪ হাজার ৩৫৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ জনে। নতুন করে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৫ জন ডেঙ্গুরোগী।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে সর্বোচ্চ চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১৪ জন। এরপর ঢাকা বিভাগে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ২৮১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১৬৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৬৭ জন, খুলনা বিভাগে ২৭১ জন, বরিশাল বিভাগে ২১৭ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৩ জন, রংপুর বিভাগে ৪১ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।
চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ১৯০ জনে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজার ৬২৭ জন।
এদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৮৩ জন ডেঙ্গুরোগী। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৪ হাজার ৩৫৪ জন চিকিৎসাধীন আছেন।