ব্যবসার ব্যয় কমিয়ে বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করছে সরকার: মাহ্দী আমিন
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
ব্যবসার ব্যয় কমিয়ে বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করছে সরকার: মাহ্দী আমিন.
দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমিয়ে আরও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, যা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, ব্যবসা সহজ করবে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করবে।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক এফডিআই সম্মেলন-২০২৬–এ বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের আগে তিনি ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।মাহ্দী আমিন বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নীতি সংস্কার, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় হ্রাস, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো এবং বাণিজ্য সহজীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সমন্বিত ও গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রশাসনিক কাঠামো সাজানোর ফলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গতি ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়েছে।উপদেষ্টা বলেন, গত পাঁচ মাসে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম বাজেটকে তিনি জনবান্ধব, ব্যবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব উল্লেখ করে বলেন, এতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, সরকার অতীতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় রূপান্তরের কৌশল নিয়ে কাজ করছে। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে কার্যকর নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে মাহ্দী আমিন বলেন, সরকার তাদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও মতবিনিময়ের একটি স্থায়ী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চায়, যাতে ব্যবসায়ীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ নীতি প্রণয়নে প্রতিফলিত হয়।তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শুধু অর্থনৈতিক অংশীদার নন; তারা নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরছেন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে বিশ্ববাজারে পরিচিত করে তুলছেন। তাদের এই অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন করবে সরকার।সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এফআইসিসিআই সভাপতি ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুপালী হক চৌধুরী, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ৬০০ বিনিয়োগকারী, কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী এবং ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমিয়ে আরও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা, যা নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, ব্যবসা সহজ করবে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও গতিশীল করবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ ত্বরান্বিতকরণ’ শীর্ষক এফডিআই সম্মেলন-২০২৬–এ বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের আগে তিনি ইনভেস্টরস এক্সপো পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব ব্যবসায়িক পরিবেশ গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নীতি সংস্কার, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় হ্রাস, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো এবং বাণিজ্য সহজীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নীতি প্রণয়ন থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও সমন্বিত ও গতিশীল করার উদ্যোগ নিয়েছে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে প্রশাসনিক কাঠামো সাজানোর ফলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গতি ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, গত পাঁচ মাসে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে। বিশেষ করে প্রথম বাজেটকে তিনি জনবান্ধব, ব্যবসাবান্ধব ও বিনিয়োগবান্ধব উল্লেখ করে বলেন, এতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার অতীতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জকে সম্ভাবনায় রূপান্তরের কৌশল নিয়ে কাজ করছে। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে কার্যকর নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে মাহ্দী আমিন বলেন, সরকার তাদের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ ও মতবিনিময়ের একটি স্থায়ী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চায়, যাতে ব্যবসায়ীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ নীতি প্রণয়নে প্রতিফলিত হয়।
তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শুধু অর্থনৈতিক অংশীদার নন; তারা নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরছেন এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে বিশ্ববাজারে পরিচিত করে তুলছেন। তাদের এই অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন করবে সরকার।
সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এফআইসিসিআই সভাপতি ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুপালী হক চৌধুরী, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ দেশি-বিদেশি প্রায় ৬০০ বিনিয়োগকারী, কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক, উন্নয়ন সহযোগী, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী এবং ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।