বগুড়াকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়তে নতুন আইন অনুমোদন
alamin dhakaprobe
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বগুড়াকে আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর হিসেবে গড়তে নতুন আইন অনুমোদন.
বগুড়া ও এর আশপাশের এলাকাকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তুলতে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৪তম বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত এ আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনটি কার্যকর হওয়ার আগে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সম্পন্ন হবে।প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে বগুড়া সিটি করপোরেশন ও সংলগ্ন এলাকাকে নিয়ে একটি পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ, ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো।আইন অনুযায়ী, ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা গঠন করা হবে। এতে একজন চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা থাকবেন। এ কর্তৃপক্ষ নগরের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য মহাপরিকল্পনা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং স্থানীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।প্রস্তাবিত আইনে গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিকল্পনা প্রণয়নের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বা ছাড়পত্র ছাড়া কোনো নির্মাণকাজ বা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না।নগরের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে নদী-নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান রক্ষায় বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ভূমি পুনর্বিন্যাস (Land Readjustment) ও ভূমি পুনঃউন্নয়ন (Land Redevelopment)-এর মতো কৌশল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভূমি পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার কমপক্ষে ৬০ শতাংশ ভূমির মালিকের সম্মতির বিধান রাখা হয়েছে।আইনে অননুমোদিত নির্মাণ, জলাশয় ভরাটসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা থাকবে।এ ছাড়া বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল গঠন, উন্নয়ন ফি নির্ধারণ ও আদায়, ঋণ গ্রহণ এবং নিয়মিত নিরীক্ষার বিধানও প্রস্তাবিত আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।সরকারের প্রত্যাশা, নতুন এই আইনের মাধ্যমে বগুড়ায় পরিকল্পিত নগরায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বগুড়া ও এর আশপাশের এলাকাকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব নগর হিসেবে গড়ে তুলতে ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৪তম বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত এ আইনের খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনটি কার্যকর হওয়ার আগে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সম্পন্ন হবে।
প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে বগুড়া সিটি করপোরেশন ও সংলগ্ন এলাকাকে নিয়ে একটি পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ, ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দুর্যোগ সহনশীল নগর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো।
আইন অনুযায়ী, ‘বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ নামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা গঠন করা হবে। এতে একজন চেয়ারম্যান, সার্বক্ষণিক সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা থাকবেন। এ কর্তৃপক্ষ নগরের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য মহাপরিকল্পনা, উন্নয়ন প্রকল্প এবং স্থানীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।
প্রস্তাবিত আইনে গণশুনানি ও প্রাক-প্রকাশসহ নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিকল্পনা প্রণয়নের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বা ছাড়পত্র ছাড়া কোনো নির্মাণকাজ বা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না।
নগরের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে নদী-নালা, জলাশয়, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান রক্ষায় বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ভূমি পুনর্বিন্যাস (Land Readjustment) ও ভূমি পুনঃউন্নয়ন (Land Redevelopment)-এর মতো কৌশল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভূমি পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এলাকার কমপক্ষে ৬০ শতাংশ ভূমির মালিকের সম্মতির বিধান রাখা হয়েছে।
আইনে অননুমোদিত নির্মাণ, জলাশয় ভরাটসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা থাকবে।
এ ছাড়া বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল গঠন, উন্নয়ন ফি নির্ধারণ ও আদায়, ঋণ গ্রহণ এবং নিয়মিত নিরীক্ষার বিধানও প্রস্তাবিত আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সরকারের প্রত্যাশা, নতুন এই আইনের মাধ্যমে বগুড়ায় পরিকল্পিত নগরায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে।