তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ উদ্বোধন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৪ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ উদ্বোধন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এর ফলে আজ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। শনিবার দুপুরে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খনন কাজ শুরু হয়। একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কূপটির খনন করা হয়। প্রায় ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খননের পর কূপটিতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ১৯ জুন থেকে কূপটি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। পরীক্ষামূলক সময়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।এখন থেকে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপ উৎপাদনে রয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।নতুন কূপটি উৎপাদনে যুক্ত হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে দেশীয় উৎসের গ্যাসের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এর ফলে আজ থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।
শনিবার দুপুরে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা এবং সরবরাহের মধ্যে পার্থক্য শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খনন কাজ শুরু হয়। একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কূপটির খনন করা হয়। প্রায় ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খননের পর কূপটিতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে গত ১৯ জুন থেকে কূপটি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। পরীক্ষামূলক সময়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এখন থেকে তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
বর্তমানে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপ উৎপাদনে রয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
নতুন কূপটি উৎপাদনে যুক্ত হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে দেশীয় উৎসের গ্যাসের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।