বুধবারবাংলা: ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৭ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

গুম-খুন-নির্যাতনের শিকারদের পুনর্বাসনে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

গুম-খুন-নির্যাতনের শিকারদের পুনর্বাসনে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন

গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের কল্যাণ, চিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই অধিদপ্তর গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

রবিবার (২৩ আগস্ট) এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একটি আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১১টায় মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তাদের জন্য ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করেছে। একইভাবে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যাদের ত্যাগ রয়েছে, তাদেরও রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিতে চায় সরকার।

মন্ত্রী বলেন, অনেকে গুম হয়েছেন। অনেকে নির্মমভাবে খুন বা বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়ে আর পরিবারের কাছে ফিরে আসেননি। কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, কেউ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। আবার অনেকে শত শত মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। তাদের এই ত্যাগের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন।

ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে, সে জন্য স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনের কথাও বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনো মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তান যেন স্বজন হারানোর এমন বর্বরতার শিকার না হন।

সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল মানুষের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকা, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ বন্ধ করা। প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাও ছিল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম লক্ষ্য।

তার ভাষ্য, ২০০৯ সালের পর ভোটের অধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সেই আদর্শ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে গুম, খুন, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার মানুষ এবং তাঁদের পরিবারের জন্য রাষ্ট্রের কিছু করার দায়িত্ব রয়েছে।

সভায় তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এগুলো হলো—

১. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা।

২. গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের অধিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা।

৩. ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর সিডিউল-১ সংশোধন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলিতে এ-সংক্রান্ত দায়িত্ব যুক্ত করা।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্যসেবা, যুব ও ক্রীড়া, শ্রম ও কর্মসংস্থান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার

কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ত
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।