বুধবারবাংলা: ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৭ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন

ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমন্ত্রণ জানানোর প্রক্রিয়া নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তি থাকায় সরকারপ্রধান সম্মেলনে যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সন্তুষ্ট নয়।

তবে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সম্ভাবনা নাকচ করেননি তিনি। হুমায়ুন কবির বলেন, উপযুক্ত ও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যেতে পারেন। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন। এবারের সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত।

বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য নয়। তবে বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায় ভারত।

প্রধানমন্ত্রীর সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছিল। গত ৪ সেপ্টেম্বর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

অন্যদিকে একই সংবাদ সম্মেলনে পরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্য একদম স্পষ্ট, তা হলো নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবাসন। যাতে তারা অধিকার, মর্যাদা এবং তাদের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা নিয়ে বাঁচতে পারে।’

তিনি আরও বলেন,  ‘প্রত্যাবাসন মানে শুধু সীমান্ত পার হওয়া নয়। এমন একটি জায়গায় ফিরে যাওয়া, যেখানে মানুষ নিরাপত্তা, অধিকার, মর্যাদা এবং তাদের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা নিয়ে বাঁচতে পারে। মিয়ানমারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়া প্রয়োজন, যা এ প্রত্যাবাসনকে প্রকৃত অর্থেই টেকসই করে তুলবে। ‘অর্থনীতি, পরিবেশ, জনসেবা, স্থানীয় সম্প্রদায় এবং জাতীয় নিরাপত্তার ওপর এ বিশাল চাপ পড়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ কাজটি করে যাচ্ছে।’
নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার

কৃষ্ণ সাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ত
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।