২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
Dhaka Probe
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী.
বাংলাদেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে চরমপন্থা বা উগ্রবাদের কোনো স্থান হবে না। দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও আইনের শাসন বজায় রাখতে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে কেউ যেন গণতন্ত্র হরণ করতে না পারে, সে বিষয়েও সরকার সতর্ক রয়েছে।তিনি জানান, গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং জুলাই আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারীদের পাশে সরকার থাকবে। তাদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।এ ছাড়া সরকারি বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ও সেবামূলক কর্মসূচির আওতায় ব্যবহৃত সব ধরনের কার্ড একীভূত করে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও সহজ, সমন্বিত ও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।পিরোজপুর-৩ আসনের এক সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর প্রকৃত শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের সঠিক তালিকা প্রণয়নের কাজ করছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বাংলাদেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে চরমপন্থা বা উগ্রবাদের কোনো স্থান হবে না। দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও আইনের শাসন বজায় রাখতে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে কেউ যেন গণতন্ত্র হরণ করতে না পারে, সে বিষয়েও সরকার সতর্ক রয়েছে।
তিনি জানান, গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি এবং জুলাই আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারীদের পাশে সরকার থাকবে। তাদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া সরকারি বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ও সেবামূলক কর্মসূচির আওতায় ব্যবহৃত সব ধরনের কার্ড একীভূত করে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে সরকারি সেবা আরও সহজ, সমন্বিত ও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পিরোজপুর-৩ আসনের এক সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর প্রকৃত শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল।
তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের সঠিক তালিকা প্রণয়নের কাজ করছে।