রবিবার|বাংলা: ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|ইংরেজি: ১৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ|আরবি: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

পদ্মা-মেঘনায় নাব্যতাসংকট: ৫ বছরে ৮২৩ টন কমেছে ইলিশের উৎপাদন

পদ্মা-মেঘনায় নাব্যতাসংকট: ৫ বছরে ৮২৩ টন কমেছে ইলিশের উৎপাদন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন

পদ্মা ও মেঘনা নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে অন্তত ৩০টি ডুবোচর জেগে ওঠায় শরীয়তপুর অঞ্চলে ইলিশের স্বাভাবিক বিচরণ পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। তীব্র নাব্যতা সংকট আর ক্রমবর্ধনশীল নদী দূষণের ফলে গত পাঁচ বছরে এই জেলায় রূপালী ইলিশের উৎপাদন কমেছে ৮২৩ মেট্রিক টন।

ইলিশের উৎপাদন ধসে পড়ায় চরম সংকটে পড়েছেন জেলার প্রায় ৩০ হাজার নিবন্ধিত জেলে। প্রতিদিন ভোরে ট্রলার নিয়ে নদীতে নেমেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে তাদের। যে সামান্য পরিমাণ মাছ মিলছে, তা বিক্রি করে নৌকার জ্বালানি খরচ ও জেলের দৈনিক মজুরিও উঠছে না। ফলে ট্রলারমালিক ও জেলে পরিবারগুলোর মাঝে এখন চরম হতাশা বিরাজ করছে। অন্যদিকে, নদীতে নাব্যতাসংকটের কারণে বাণিজ্যিক নৌযান চলাচলেও দ্বিগুণ সময় ও অতিরিক্ত খরচ গুনতে হচ্ছে।

জেলা মৎস্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শরীয়তপুর সীমানায় প্রায় ৮০ কিলোমিটার নদীপথের বিভিন্ন পয়েন্টে পলি জমে এসব ডুবোচরের সৃষ্টি হয়েছে। অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন, নদীর গভীরতা হ্রাস এবং অনিয়ন্ত্রিত ড্রেজিংয়ের কারণে ইলিশ তার অভিবাসন পথ বদলে অন্য নদীর দিকে চলে যাচ্ছে।

শরীয়তপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব জানান, নাব্যতা সংকট ও পানির পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণেই মাছের পথ পরিবর্তন হচ্ছে। তবে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং দূষণ বন্ধ করা সম্ভব হলে পদ্মা-মেঘনায় আবারও কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
মসজিদের ভেতরে মুসল্লিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম

মসজিদের ভেতরে মুসল্লিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন

ঢাকা প্রোব ডেস্ক
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬