গুদামে জায়গা সংকট, ধান-চাল সংগ্রহে ধীরগতি; আশুগঞ্জে কমছে ধানের দাম.
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাদ্যগুদামগুলোতে জায়গা সংকটের কারণে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে জেলার পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ধানের মোকাম আশুগঞ্জে। চালকল মালিকদের ধান কেনার পরিমাণ কমে যাওয়ায় মোকামে সব ধরনের ধানের দাম নিম্নমুখী।খাদ্য বিভাগ বলছে, গুদামে জায়গা সংকট থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাদ্যগুদামগুলোর স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা প্রায় ২১ হাজার ৫০০ টন। এর সঙ্গে অতিরিক্ত কয়েক হাজার টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে। তবে বর্তমানে গুদামগুলোতে ৩০ হাজার টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। ফলে এক মাসের বেশি সময় ধরে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।চুক্তিবদ্ধ মিল থেকে চাল নিয়ে আসা ট্রাকগুলো গুদামে চাল সরবরাহ করতে এসে কয়েক দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করছে। এতে ট্রাকের অতিরিক্ত ভাড়া ও অবস্থান ফি গুনতে হচ্ছে মিল মালিকদের।অন্যদিকে, গুদামে চাল সরবরাহে সময় বেশি লাগা এবং বাজারে চালের বিক্রি কমে যাওয়ায় আশুগঞ্জ মোকাম থেকে ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন চালকল মালিকরা। ফলে ধানের দামও কমছে।বর্তমানে আশুগঞ্জ মোকামে বিআর-২৮ ধান প্রতি মণ ১ হাজার ৩০০ টাকা, বিআর-২৯ ধান ১ হাজার ১৫০ থেকে ১ হাজার ১৮০ টাকা এবং মানভেদে মোটা ধান ৭০০ থেকে ৯৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।চালকল মালিক ও আড়তদারদের দাবি, ধানের দাম কমার পেছনে কোনো কারসাজি নেই। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত থাকায় চালের বাজারে চাহিদা কমেছে। চাল বিক্রি করতে না পারায় ইতোমধ্যে অনেক চালকল বন্ধ হয়ে গেছে। বাজারে চালের দাম কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে ধানের বাজারেও।চালকল মালিক সমিতির আশুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি শাহজাহান সিরাজ বলেন, ধানের দরপতনের পেছনে কোনো কারসাজি নেই। সরকার চাল আমদানির ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করায় বিভিন্ন পর্যায়ে এলসি খোলা হচ্ছে। এতে চালের দাম কমেছে এবং এর প্রভাব পড়েছে ধানের বাজারে।তবে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি বিভিন্ন বিতরণ কার্যক্রমের জন্য গুদাম থেকে খাদ্যশস্য সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। ফলে গুদামে নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান ও চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।চলতি বোরো মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ১১ হাজার ২০৮ টন ধান, ৭১ হাজার ৪২৫ টন সিদ্ধ চাল এবং ৪ হাজার ৯৯৩ টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে খাদ্য বিভাগ। এখন পর্যন্ত ধান সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ টন। সিদ্ধ চাল সংগ্রহ হয়েছে ৬৮ হাজার ২২৫ টন। আর আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টন সংগ্রহ হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাদ্যগুদামগুলোতে জায়গা সংকটের কারণে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে জেলার পূর্বাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ধানের মোকাম আশুগঞ্জে। চালকল মালিকদের ধান কেনার পরিমাণ কমে যাওয়ায় মোকামে সব ধরনের ধানের দাম নিম্নমুখী।
খাদ্য বিভাগ বলছে, গুদামে জায়গা সংকট থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খাদ্যগুদামগুলোর স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা প্রায় ২১ হাজার ৫০০ টন। এর সঙ্গে অতিরিক্ত কয়েক হাজার টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে। তবে বর্তমানে গুদামগুলোতে ৩০ হাজার টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। ফলে এক মাসের বেশি সময় ধরে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
চুক্তিবদ্ধ মিল থেকে চাল নিয়ে আসা ট্রাকগুলো গুদামে চাল সরবরাহ করতে এসে কয়েক দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করছে। এতে ট্রাকের অতিরিক্ত ভাড়া ও অবস্থান ফি গুনতে হচ্ছে মিল মালিকদের।
অন্যদিকে, গুদামে চাল সরবরাহে সময় বেশি লাগা এবং বাজারে চালের বিক্রি কমে যাওয়ায় আশুগঞ্জ মোকাম থেকে ধান কেনা কমিয়ে দিয়েছেন চালকল মালিকরা। ফলে ধানের দামও কমছে।
বর্তমানে আশুগঞ্জ মোকামে বিআর-২৮ ধান প্রতি মণ ১ হাজার ৩০০ টাকা, বিআর-২৯ ধান ১ হাজার ১৫০ থেকে ১ হাজার ১৮০ টাকা এবং মানভেদে মোটা ধান ৭০০ থেকে ৯৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালকল মালিক ও আড়তদারদের দাবি, ধানের দাম কমার পেছনে কোনো কারসাজি নেই। দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত থাকায় চালের বাজারে চাহিদা কমেছে। চাল বিক্রি করতে না পারায় ইতোমধ্যে অনেক চালকল বন্ধ হয়ে গেছে। বাজারে চালের দাম কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে ধানের বাজারেও।
চালকল মালিক সমিতির আশুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি শাহজাহান সিরাজ বলেন, ধানের দরপতনের পেছনে কোনো কারসাজি নেই। সরকার চাল আমদানির ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করায় বিভিন্ন পর্যায়ে এলসি খোলা হচ্ছে। এতে চালের দাম কমেছে এবং এর প্রভাব পড়েছে ধানের বাজারে।
তবে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি বিভিন্ন বিতরণ কার্যক্রমের জন্য গুদাম থেকে খাদ্যশস্য সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। ফলে গুদামে নতুন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান ও চাল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।
চলতি বোরো মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ১১ হাজার ২০৮ টন ধান, ৭১ হাজার ৪২৫ টন সিদ্ধ চাল এবং ৪ হাজার ৯৯৩ টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে খাদ্য বিভাগ। এখন পর্যন্ত ধান সংগ্রহ হয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ টন। সিদ্ধ চাল সংগ্রহ হয়েছে ৬৮ হাজার ২২৫ টন। আর আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ হাজার টন সংগ্রহ হয়েছে।