সোমবারবাংলা: ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

আখাউড়ার খড়মপুর মাজারের দানবাক্সে মিলল ১ কোটির বেশি টাকা

আখাউড়ার খড়মপুর মাজারের দানবাক্সে মিলল ১ কোটির বেশি টাকা
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে খড়মপুর মাজারের ওরস উপলক্ষে চারটি দানবাক্স থেকে গণনা করে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। দানবাক্সে নগদ টাকার পাশাপাশি সোনা-রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে।

সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর পর্যন্ত দানবাক্স খোলা ও টাকা গণনার কাজ চলে। এ সময় ১২ বস্তা টাকা গণনা করেন ৪০ জন। পরে গণনা শেষে নগদ ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া যায়।

মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ওরস উপলক্ষে দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা চারটি দানবাক্সে নগদ অর্থের পাশাপাশি সোনা, রূপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা দান করেন। এসব সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করে হিসাব করা হচ্ছে।

এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

খড়মপুর মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু জানান, গত ১০ আগস্ট থেকে মাজারে সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৬ আগস্ট রোববার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে। এ সময় দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা দানবাক্সগুলোতে নগদ টাকা, সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন।

মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, চারটি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রার হিসাবও করা হচ্ছে। সবকিছুর হিসাব-নিকাশ শেষে মাজারের সার্বিক আয়-ব্যয়ের বিষয়টি জানানো হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।