গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র
Bangladesh
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালু করছে যুক্তরাষ্ট্র.
গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালুর পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে মঙ্গলবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে ওয়াশিংটন। চুক্তির আওতায় দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডে স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করা হবে। পাশাপাশি পূর্ব উপকূলে আরেকটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা হবে। তিনটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ঘাঁটি দুটি হবে দক্ষিণাঞ্চলের নারসারসুয়াক এবং পূর্ব উপকূলের মেস্টারসভিগে। ১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দেওয়ার পর নারসারসুয়াকের জনসংখ্যা কমে বর্তমানে কয়েক ডজনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মেস্টারসভিগে বর্তমানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনীর একটি ইউনিট সিরিয়াস ডগ স্লেজ পেট্রল দায়িত্ব পালন করে।মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, চুক্তিতে সই না হওয়া পর্যন্ত এর বিস্তারিত চূড়ান্ত হবে না।ডেনমার্ক জানিয়েছে, নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ন্যাটোর আওতায় আসবে। ফলে এর দায়িত্ব শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের ওপর থাকবে না।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কয়েক মাসের চাপের পর এই চুক্তি হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছেন। তবে গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যাপক বিরোধিতার কথাও বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে এসেছে।স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক স্থাপনা ছিল। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সামরিক স্থাপনা হলো পিতুফিক স্পেস বেস। সেখানে প্রায় ১৫০ জন মার্কিন সেনাসদস্য রয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
গ্রিনল্যান্ডে দুটি নতুন সামরিক ঘাঁটি চালুর পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে মঙ্গলবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে ওয়াশিংটন। চুক্তির আওতায় দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডে স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি সামরিক ঘাঁটি পুনরায় চালু করা হবে। পাশাপাশি পূর্ব উপকূলে আরেকটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা হবে। তিনটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ঘাঁটি দুটি হবে দক্ষিণাঞ্চলের নারসারসুয়াক এবং পূর্ব উপকূলের মেস্টারসভিগে। ১৯৫০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্লুই ওয়েস্ট ওয়ান সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দেওয়ার পর নারসারসুয়াকের জনসংখ্যা কমে বর্তমানে কয়েক ডজনে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মেস্টারসভিগে বর্তমানে ডেনমার্কের বিশেষ বাহিনীর একটি ইউনিট সিরিয়াস ডগ স্লেজ পেট্রল দায়িত্ব পালন করে।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন এই চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তির পূর্ণাঙ্গ পাঠ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, চুক্তিতে সই না হওয়া পর্যন্ত এর বিস্তারিত চূড়ান্ত হবে না।
ডেনমার্ক জানিয়েছে, নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ন্যাটোর আওতায় আসবে। ফলে এর দায়িত্ব শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের ওপর থাকবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কয়েক মাসের চাপের পর এই চুক্তি হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছেন। তবে গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে এ বিষয়ে ব্যাপক বিরোধিতার কথাও বিভিন্ন জনমত জরিপে উঠে এসেছে।
স্নায়ুযুদ্ধের সময় গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক স্থাপনা ছিল। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র সামরিক স্থাপনা হলো পিতুফিক স্পেস বেস। সেখানে প্রায় ১৫০ জন মার্কিন সেনাসদস্য রয়েছে।