বেরোবিতে আট কর্মকর্তার পদোন্নতি বাতিলের নির্দেশ.
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ছয় দফা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে (বেরোবি) অবৈধভাবে পদোন্নতি দেওয়া আট কর্মকর্তার চতুর্থ গ্রেডের পদোন্নতি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে ইউজিসি। যুগান্তরে এ নিয়ে খবর প্রকাশের প্রায় দুই বছর পর এ উদ্যোগ নিল সংস্থাটি। ২০২৪ সালের ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ১০৫তম সিন্ডিকেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশীদ তার মেয়াদের শেষ দিকে ঘনিষ্ঠ আট কর্মকর্তাকে চতুর্থ গ্রেডভুক্ত অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমানের পদে পদোন্নতি দেন। পদোন্নতিপ্রাপ্তরা আড়াই বছর চতুর্থ গ্রেডের আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা নিচ্ছেন।ইউজিসি জানিয়েছে, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমানের কর্মকর্তাকে চতুর্থ গ্রেডভুক্ত পদে আপগ্রেডেশন দেওয়া বেআইনি। একই সঙ্গে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর ইউজিসির নির্দেশনার পরিপন্থি হওয়ায় ওই কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ১০ সেপ্টেম্বর ইউজিসির অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসান (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ) বর্তমান উপাচার্যকে চিঠি দিয়েছেন।ইউজিসির চিঠিতে বলা হয়েছে, পদোন্নতিতে অনিয়মের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই পদোন্নতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউজিসির বাজেট প্রতিবেদন ও সরকারের রাজস্ব অডিটেও এ পদোন্নতিতে অনিয়মের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বেতন-ভাতাদি ফেরত দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।ইউজিসির কয়েক দফা আপত্তির পরও ২০২৪ সালের ৩১ মে চতুর্থ গ্রেডে পদোন্নতির জন্য বাছাই বোর্ড বসানো হয়েছিল। ওই বোর্ডে পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তা ও তৎকালীন অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তাকে দিয়ে চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তার পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়, যা নজিরবিহীন। ইউজিসির চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ‘আমি পত্র পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য ৩১ অক্টোবর সিন্ডিকেট সভা ডেকেছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিন্ডিকেট। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ছয় দফা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে (বেরোবি) অবৈধভাবে পদোন্নতি দেওয়া আট কর্মকর্তার চতুর্থ গ্রেডের পদোন্নতি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে ইউজিসি। যুগান্তরে এ নিয়ে খবর প্রকাশের প্রায় দুই বছর পর এ উদ্যোগ নিল সংস্থাটি। ২০২৪ সালের ২৯ জুন অনুষ্ঠিত ১০৫তম সিন্ডিকেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুর রশীদ তার মেয়াদের শেষ দিকে ঘনিষ্ঠ আট কর্মকর্তাকে চতুর্থ গ্রেডভুক্ত অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমানের পদে পদোন্নতি দেন। পদোন্নতিপ্রাপ্তরা আড়াই বছর চতুর্থ গ্রেডের আর্থিক ও অন্যান্য সুবিধা নিচ্ছেন।
ইউজিসি জানিয়েছে, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার/সমমানের কর্মকর্তাকে চতুর্থ গ্রেডভুক্ত পদে আপগ্রেডেশন দেওয়া বেআইনি। একই সঙ্গে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর ইউজিসির নির্দেশনার পরিপন্থি হওয়ায় ওই কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ১০ সেপ্টেম্বর ইউজিসির অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসান (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগ) বর্তমান উপাচার্যকে চিঠি দিয়েছেন।
ইউজিসির চিঠিতে বলা হয়েছে, পদোন্নতিতে অনিয়মের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই পদোন্নতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইউজিসির বাজেট প্রতিবেদন ও সরকারের রাজস্ব অডিটেও এ পদোন্নতিতে অনিয়মের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বেতন-ভাতাদি ফেরত দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
ইউজিসির কয়েক দফা আপত্তির পরও ২০২৪ সালের ৩১ মে চতুর্থ গ্রেডে পদোন্নতির জন্য বাছাই বোর্ড বসানো হয়েছিল। ওই বোর্ডে পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তা ও তৎকালীন অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তাকে দিয়ে চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তার পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়, যা নজিরবিহীন। ইউজিসির চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ‘আমি পত্র পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য ৩১ অক্টোবর সিন্ডিকেট সভা ডেকেছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সিন্ডিকেট। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’