রাড্ডা ক্লিনিকে হামলার ঘটনায় বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে: ডিএমপি কমিশনার.
রাজধানীর মিরপুরে স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।আজ শনিবার সকালে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা দেখছি পুলিশের কোনো অবহেলা ছিল কি না এবং তারা সময়মতো এসেছিল কি না। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের এক দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, দল দেখব না, মত দেখব না। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না।গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন ক্লিনিকের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় মামলা করেন। মামলায় হানিফ মিয়া নামে একজনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুখোশ পরা অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকে। এ সময় তারা চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, সরকারি টিকা, নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। লুটপাটের পর ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ভবন ও তিনটি সেমিপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
রাজধানীর মিরপুরে স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।
আজ শনিবার সকালে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা দেখছি পুলিশের কোনো অবহেলা ছিল কি না এবং তারা সময়মতো এসেছিল কি না। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের এক দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দল দেখব না, মত দেখব না। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব। কোনো রাজনৈতিক পরিচয় দেখা হবে না।
গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মিরপুর-১ নম্বর সেকশনে অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন ক্লিনিকের নির্বাহী পরিচালক নাসরিন আখতার শাহ আলী থানায় মামলা করেন। মামলায় হানিফ মিয়া নামে একজনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মুখোশ পরা অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তি নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকে। এ সময় তারা চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ, সরকারি টিকা, নগদ টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। লুটপাটের পর ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে একটি পাকা ভবন ও তিনটি সেমিপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।