অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী.
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের (পিএসসি) পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিট ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অ্যাডহক ভিত্তিতে বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করছে। তবে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সের পটভূমির অনেক সদস্য রয়েছেন। তাঁদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে কিংবা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো হবে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের সক্ষমতা ও মনোবল বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পুলিশ বাহিনীকে সাইবার স্পেসসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত করতে হবে।সভায় পিএসসির অবকাঠামো উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ, বিদেশে প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উদ্ভাবন সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং মাস্টার্স ইন ফরেনসিক সায়েন্স ও মাস্টার্স ইন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কোর্স চালুর বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএটিসির রেক্টর সাঈদ মাহবুব খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামসহ পরিচালনা বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ স্টাফ কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ পুলিশ স্টাফ কলেজের (পিএসসি) পরিচালনা বোর্ডের ২১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিট ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অ্যাডহক ভিত্তিতে বিভিন্ন ডিজিটাল অপরাধের তদন্ত ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করছে। তবে সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীতে প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি ও কম্পিউটার সায়েন্সের পটভূমির অনেক সদস্য রয়েছেন। তাঁদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মাস্টার ট্রেইনার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও দক্ষ করে তুলতে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষক এনে কিংবা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ সদস্যদের সক্ষমতা ও মনোবল বাড়াতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পুলিশ বাহিনীকে সাইবার স্পেসসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত করতে হবে।
সভায় পিএসসির অবকাঠামো উন্নয়ন, বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ, বিদেশে প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও উদ্ভাবন সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং মাস্টার্স ইন ফরেনসিক সায়েন্স ও মাস্টার্স ইন ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কোর্স চালুর বিষয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএটিসির রেক্টর সাঈদ মাহবুব খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলামসহ পরিচালনা বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ স্টাফ কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।