বিআইডব্লিউটিসির নৌযান চার্টার নীতিমালা যুগোপযোগী করার উদ্যোগ
Bangladesh
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪২ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বিআইডব্লিউটিসির নৌযান চার্টার নীতিমালা যুগোপযোগী করার উদ্যোগ.
পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতি ও আধুনিক নৌপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) নৌযান চার্টার প্রদানের বিদ্যমান নীতিমালা যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।নতুন নীতিমালায় নৌযান চার্টার প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিসির রাজস্ব বৃদ্ধি, রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।এ লক্ষ্যে ‘বিআইডব্লিউটিসি নৌযান চার্টার নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া নিয়ে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় খসড়া নীতিমালার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ডেনি প্রস্তাবিত নীতিমালার বিভিন্ন ধারা ও উপধারা পর্যালোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাকারিয়া, বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান, সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় কর্মকর্তারা বলেন, দেশের নৌপরিবহন খাতে পরিবর্তিত চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৌযান চার্টার ব্যবস্থাপনাকেও আধুনিক ও কার্যকর করা প্রয়োজন। এ জন্য বিদ্যমান নীতিমালা পর্যালোচনা করে নতুন কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রস্তাবিত নীতিমালায় নৌযান চার্টার প্রদানের প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে চার্টার কার্যক্রমের মাধ্যমে সংস্থার রাজস্ব আয় বাড়ানো, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং সরকারি নৌযানের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ডেনি বলেন, বিআইডব্লিউটিসির নৌযানগুলো রাষ্ট্রীয় সম্পদ। তাই এসব নৌযান চার্টারে দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ ও সংস্থার আর্থিক সক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।তিনি বলেন, অংশীজনদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সংস্থার আর্থিক স্বার্থও সুরক্ষিত থাকে।সভায় কর্মকর্তারা জানান, বিআইডব্লিউটিসির নৌযানের অব্যবহৃত সক্ষমতা যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে তা সংস্থার আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য নৌযান চার্টারের শর্ত, প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বগুলো আরও সুস্পষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।চার্টার প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর বিষয়েও সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নৌপরিবহন খাতের পরিবর্তিত বাস্তবতা ও গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সেবা প্রদানের বিষয়টি নতুন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।সভায় খসড়া নীতিমালার বিভিন্ন ধারা ও উপধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মতামত ও পরামর্শ দেন। এসব মতামত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে খসড়াটি দ্রুত চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।‘বিআইডব্লিউটিসি নৌযান চার্টার নীতিমালা ২০২৬’ দ্রুত চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সভা থেকে তাগিদ দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে বিআইডব্লিউটিসির নৌযান চার্টার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
পরিবর্তিত বাজার পরিস্থিতি ও আধুনিক নৌপরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) নৌযান চার্টার প্রদানের বিদ্যমান নীতিমালা যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন নীতিমালায় নৌযান চার্টার প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিসির রাজস্ব বৃদ্ধি, রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার ও সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ লক্ষ্যে ‘বিআইডব্লিউটিসি নৌযান চার্টার নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া নিয়ে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় খসড়া নীতিমালার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ডেনি প্রস্তাবিত নীতিমালার বিভিন্ন ধারা ও উপধারা পর্যালোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সভায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাকারিয়া, বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান, সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কর্মকর্তারা বলেন, দেশের নৌপরিবহন খাতে পরিবর্তিত চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নৌযান চার্টার ব্যবস্থাপনাকেও আধুনিক ও কার্যকর করা প্রয়োজন। এ জন্য বিদ্যমান নীতিমালা পর্যালোচনা করে নতুন কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালায় নৌযান চার্টার প্রদানের প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে চার্টার কার্যক্রমের মাধ্যমে সংস্থার রাজস্ব আয় বাড়ানো, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং সরকারি নৌযানের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী ডেনি বলেন, বিআইডব্লিউটিসির নৌযানগুলো রাষ্ট্রীয় সম্পদ। তাই এসব নৌযান চার্টারে দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ ও সংস্থার আর্থিক সক্ষমতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
তিনি বলেন, অংশীজনদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। এমন একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি সংস্থার আর্থিক স্বার্থও সুরক্ষিত থাকে।
সভায় কর্মকর্তারা জানান, বিআইডব্লিউটিসির নৌযানের অব্যবহৃত সক্ষমতা যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে তা সংস্থার আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য নৌযান চার্টারের শর্ত, প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বগুলো আরও সুস্পষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চার্টার প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর বিষয়েও সভায় গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নৌপরিবহন খাতের পরিবর্তিত বাস্তবতা ও গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সেবা প্রদানের বিষয়টি নতুন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
সভায় খসড়া নীতিমালার বিভিন্ন ধারা ও উপধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মতামত ও পরামর্শ দেন। এসব মতামত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে খসড়াটি দ্রুত চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
‘বিআইডব্লিউটিসি নৌযান চার্টার নীতিমালা ২০২৬’ দ্রুত চূড়ান্ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সভা থেকে তাগিদ দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে বিআইডব্লিউটিসির নৌযান চার্টার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে।