শ্রমের মর্যাদা নিশ্চিত করা মানে দেশের মর্যাদা নিশ্চিত করা: মাহ্দী আমিন
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
শ্রমের মর্যাদা নিশ্চিত করা মানে দেশের মর্যাদা নিশ্চিত করা: মাহ্দী আমিন.
শ্রমজীবী মানুষকে জাতীয় অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তাঁদের মর্যাদা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।তিনি বলেন, ‘শ্রমিক শুধু শ্রম দেন না, তাঁরাই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন। শ্রমের মর্যাদা নিশ্চিত করা মানে দেশের মর্যাদা নিশ্চিত করা। ন্যায্য মজুরি কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি শ্রমিকের ন্যায্য প্রাপ্য। নিরাপদ কর্মপরিবেশ প্রতিটি শ্রমিকের মৌলিক অধিকার।’শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) সম্মেলন ও সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘মর্যাদা, অধিকার, ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।মাহ্দী আমিন বলেন, দক্ষ শ্রমিক দেশের অন্যতম বড় উৎপাদনশীল সম্পদ। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শ্রমিকদের দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে হবে। নতুন শিল্প ও মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ জরুরি।শিল্পের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মালিক-শ্রমিকের মধ্যে আস্থা ও অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে ন্যায়বিচার থাকলে আস্থা তৈরি হয়, আর আস্থা থাকলে উৎপাদন বাড়ে। নারী শ্রমিকের নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করাও অর্থনীতির সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ।দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শ্রমজীবী মানুষের অবদানের কথা স্মরণ করে মাহ্দী আমিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক শ্রমবাজারের সঙ্গে দেশের শ্রমশক্তির সমন্বয় ঘটাতে পারলে এ সম্ভাবনা আরও বাড়বে। পাশাপাশি শ্রমজীবী পরিবারের সামাজিক নিরাপত্তায় সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের আওতায় শ্রমজীবী নারীরাও যুক্ত হচ্ছেন।সম্মেলনে বিলসের মহাসচিব নজরুল ইসলাম খান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুননসহ দেশি-বিদেশি শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
শ্রমজীবী মানুষকে জাতীয় অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তাঁদের মর্যাদা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন।
তিনি বলেন, ‘শ্রমিক শুধু শ্রম দেন না, তাঁরাই দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখেন। শ্রমের মর্যাদা নিশ্চিত করা মানে দেশের মর্যাদা নিশ্চিত করা। ন্যায্য মজুরি কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি শ্রমিকের ন্যায্য প্রাপ্য। নিরাপদ কর্মপরিবেশ প্রতিটি শ্রমিকের মৌলিক অধিকার।’
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) সম্মেলন ও সাধারণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘মর্যাদা, অধিকার, ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মাহ্দী আমিন বলেন, দক্ষ শ্রমিক দেশের অন্যতম বড় উৎপাদনশীল সম্পদ। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শ্রমিকদের দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে হবে। নতুন শিল্প ও মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ জরুরি।
শিল্পের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মালিক-শ্রমিকের মধ্যে আস্থা ও অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে ন্যায়বিচার থাকলে আস্থা তৈরি হয়, আর আস্থা থাকলে উৎপাদন বাড়ে। নারী শ্রমিকের নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করাও অর্থনীতির সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ।
দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শ্রমজীবী মানুষের অবদানের কথা স্মরণ করে মাহ্দী আমিন বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বৈশ্বিক শ্রমবাজারের সঙ্গে দেশের শ্রমশক্তির সমন্বয় ঘটাতে পারলে এ সম্ভাবনা আরও বাড়বে। পাশাপাশি শ্রমজীবী পরিবারের সামাজিক নিরাপত্তায় সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের আওতায় শ্রমজীবী নারীরাও যুক্ত হচ্ছেন।
সম্মেলনে বিলসের মহাসচিব নজরুল ইসলাম খান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুননসহ দেশি-বিদেশি শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।