দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের ছায়া সরেছে: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের ছায়া সরেছে: জামায়াত আমির.
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি কী কারণে পদত্যাগ করেছেন তা নিয়ে তাদের কোনো আগ্রহ নেই, কারণ তিনি আগেই এই পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছিলেন।শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমান স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি যতদিন দায়িত্বে থাকবেন, ততদিন তিনি ন্যায়নিষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তাঁরা আশা করেন। কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব না করে তিনি যেন রাষ্ট্রপতির মর্যাদা রক্ষা করেন। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এভাবে দায়িত্ব পালন করলে তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। যেহেতু এর মধ্যেই সংসদের অধিবেশন হওয়ার কথা রয়েছে, তাই স্বাভাবিক নিয়মে ও ভোটাভুটির মাধ্যমেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। তোষামোদকারী নয়, বরং রাষ্ট্রপতির মর্যাদা রক্ষা করতে পারেন এবং নিজের বিবেক সমর্পণ না করে নীতি অনুযায়ী চলবেন—এমন ব্যক্তিত্বকেই তাঁরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চান।সাবেক রাষ্ট্রপতির বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং বিদেশে চিকিৎসা নিতে চান বলে জানিয়েছেন। তবে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতি ও চিকিৎসকদের আস্থা ফেরাতে রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রীসহ সব নির্বাচিত প্রতিনিধির দেশেই চিকিৎসা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন ডা. শফিকুর রহমান। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনা যেতে পারে।এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতির ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, অভিভাবক হিসেবে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন এবং দেশের গণহত্যার বিরুদ্ধে বা জুলুমের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেননি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিশ্বাসযোগ্য আলামত পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কারণ কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি কী কারণে পদত্যাগ করেছেন তা নিয়ে তাদের কোনো আগ্রহ নেই, কারণ তিনি আগেই এই পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছিলেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টু রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমান স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি যতদিন দায়িত্বে থাকবেন, ততদিন তিনি ন্যায়নিষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে তাঁরা আশা করেন। কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব না করে তিনি যেন রাষ্ট্রপতির মর্যাদা রক্ষা করেন। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এভাবে দায়িত্ব পালন করলে তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। যেহেতু এর মধ্যেই সংসদের অধিবেশন হওয়ার কথা রয়েছে, তাই স্বাভাবিক নিয়মে ও ভোটাভুটির মাধ্যমেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। তোষামোদকারী নয়, বরং রাষ্ট্রপতির মর্যাদা রক্ষা করতে পারেন এবং নিজের বিবেক সমর্পণ না করে নীতি অনুযায়ী চলবেন—এমন ব্যক্তিত্বকেই তাঁরা রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চান।
সাবেক রাষ্ট্রপতির বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং বিদেশে চিকিৎসা নিতে চান বলে জানিয়েছেন। তবে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নতি ও চিকিৎসকদের আস্থা ফেরাতে রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রীসহ সব নির্বাচিত প্রতিনিধির দেশেই চিকিৎসা নেওয়া উচিত বলে মনে করেন ডা. শফিকুর রহমান। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনা যেতে পারে।
এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতির ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, অভিভাবক হিসেবে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন এবং দেশের গণহত্যার বিরুদ্ধে বা জুলুমের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেননি। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিশ্বাসযোগ্য আলামত পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কারণ কোনো ব্যক্তিই আইনের ঊর্ধ্বে নন।