চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করলে তদন্ত করবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Bangladesh
রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২০ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করলে তদন্ত করবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী.
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি ‘ভিকটিম’ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং শিগগিরই মামলা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শনিবার রাতে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি চাঁদা না দেওয়ার কারণে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সালমান নিজেই জানিয়েছেন, তার কাছে সরাসরি কেউ চাঁদা দাবি করেনি। মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সালমান মুক্তাদির কোনো মামলা করেননি। ফলে কার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে, সেটিও সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত হয়নি। তিনি চাঁদাবাজির বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা করলে পুলিশ সেটি তদন্ত করে দেখবে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি রাজধানীর মানিকদী নামাপাড়া এলাকার প্রায় ৩৫ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত। ওই জমি নিয়ে একটি বিল্ডার প্রতিষ্ঠান ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রাথমিক তদন্তে ওই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পক্ষে কিছু লোক রাতে জমিটি দখলের চেষ্টা করে এবং সেখানে ভাঙচুর চালায় বলে তথ্য পাওয়া গেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই স্থাপনার মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্টুডিও ছিল। সেখানে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করা হতো। জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় ওই স্থাপনাটিও ভাঙচুরের শিকার হয়। পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যেও স্টুডিওটিকে হামলার মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা হয়নি বলে জানানো হয়েছে। এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধারের কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি নিয়ে প্রাথমিকভাবে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে নিশ্চিত হতে আরও তদন্ত প্রয়োজন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি ‘ভিকটিম’ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং শিগগিরই মামলা হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শনিবার রাতে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি চাঁদা না দেওয়ার কারণে তার স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, সালমান নিজেই জানিয়েছেন, তার কাছে সরাসরি কেউ চাঁদা দাবি করেনি।
মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সালমান মুক্তাদির কোনো মামলা করেননি। ফলে কার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে, সেটিও সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত হয়নি। তিনি চাঁদাবাজির বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগে মামলা করলে পুলিশ সেটি তদন্ত করে দেখবে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি রাজধানীর মানিকদী নামাপাড়া এলাকার প্রায় ৩৫ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত। ওই জমি নিয়ে একটি বিল্ডার প্রতিষ্ঠান ও একজন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। প্রাথমিক তদন্তে ওই অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার পক্ষে কিছু লোক রাতে জমিটি দখলের চেষ্টা করে এবং সেখানে ভাঙচুর চালায় বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ওই স্থাপনার মধ্যে সালমান মুক্তাদিরের একটি টিনশেড স্টুডিও ছিল। সেখানে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করা হতো। জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় ওই স্থাপনাটিও ভাঙচুরের শিকার হয়। পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্যেও স্টুডিওটিকে হামলার মূল লক্ষ্য হিসেবে দেখা হয়নি বলে জানানো হয়েছে। এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধারের কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
পুলিশ বলছে, ঘটনাটি নিয়ে প্রাথমিকভাবে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে নিশ্চিত হতে আরও তদন্ত প্রয়োজন।