বড় শহর নয়, মানুষের জন্য মানবিক নগর গড়তে চায় সরকার: মাহ্দী আমিন
নিজস্ব প্রতিবেদক
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৩ AM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
বড় শহর নয়, মানুষের জন্য মানবিক নগর গড়তে চায় সরকার: মাহ্দী আমিন.
বড় শহর নয়, মানুষের জন্য মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব নগরব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহ্দী আমিন।তিনি বলেন, উঁচু ভবন, প্রশস্ত সড়ক বা বড় অবকাঠামো দিয়ে নগর উন্নয়নের সাফল্য বিচার করা যাবে না। মানুষের জীবনমান কতটা উন্নত হয়েছে এবং নাগরিকরা কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারছেন—সেটিই হবে নগর উন্নয়নের মূল মাপকাঠি।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দুই দিনব্যাপী জাতীয় নগর ফোরাম-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।মাহ্দী আমিন বলেন, দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ নগরে বসবাস করলেও জাতীয় অর্থনীতির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ উৎপাদিত হয় শহরকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড থেকে। দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে আবাসন, পরিবহন, পানি, পয়োনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশের ওপর চাপ বাড়ছে। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈষম্য ও জলবায়ুজনিত অভিবাসন নগরজীবনের সংকট আরও তীব্র করছে।তিনি বলেন, নগর উন্নয়নে মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। নদী, খাল, জলাশয়, উন্মুক্ত স্থান ও সবুজ এলাকা রক্ষার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা ও তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় প্রকৃতিনির্ভর সমাধান গ্রহণ করতে হবে।নগর ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, গবেষক ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও নিজস্ব রাজস্ব আহরণের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।মাহ্দী আমিন বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নগরে নিরাপদ পানি, পয়োনিষ্কাশন, স্বাস্থ্যসেবা, সাশ্রয়ী শিক্ষা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, আধুনিক পরিবহন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।নগর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি মানুষের জীবন সহজ করার জন্য হতে হবে। পাশাপাশি নগরগুলোকে উদ্ভাবন, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও তরুণদের কর্মসংস্থানের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে বক্তব্য দেন।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
বড় শহর নয়, মানুষের জন্য মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব নগরব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহ্দী আমিন।
তিনি বলেন, উঁচু ভবন, প্রশস্ত সড়ক বা বড় অবকাঠামো দিয়ে নগর উন্নয়নের সাফল্য বিচার করা যাবে না। মানুষের জীবনমান কতটা উন্নত হয়েছে এবং নাগরিকরা কতটা নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারছেন—সেটিই হবে নগর উন্নয়নের মূল মাপকাঠি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দুই দিনব্যাপী জাতীয় নগর ফোরাম-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, দেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ নগরে বসবাস করলেও জাতীয় অর্থনীতির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ উৎপাদিত হয় শহরকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড থেকে। দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে আবাসন, পরিবহন, পানি, পয়োনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশের ওপর চাপ বাড়ছে। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈষম্য ও জলবায়ুজনিত অভিবাসন নগরজীবনের সংকট আরও তীব্র করছে।
তিনি বলেন, নগর উন্নয়নে মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। নদী, খাল, জলাশয়, উন্মুক্ত স্থান ও সবুজ এলাকা রক্ষার পাশাপাশি জলাবদ্ধতা ও তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় প্রকৃতিনির্ভর সমাধান গ্রহণ করতে হবে।
নগর ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, গবেষক ও নাগরিক সমাজের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও নিজস্ব রাজস্ব আহরণের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
মাহ্দী আমিন বলেন, একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নগরে নিরাপদ পানি, পয়োনিষ্কাশন, স্বাস্থ্যসেবা, সাশ্রয়ী শিক্ষা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, আধুনিক পরিবহন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
নগর ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযুক্তি মানুষের জীবন সহজ করার জন্য হতে হবে। পাশাপাশি নগরগুলোকে উদ্ভাবন, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও তরুণদের কর্মসংস্থানের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের উপ-আবাসিক প্রতিনিধি সোনালি দয়ারত্নে বক্তব্য দেন।