প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের বৈঠক, জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনা
Bangladesh
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৬ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের বৈঠক, জ্বালানি সংকট নিয়ে আলোচনা.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। স্থানীয় সময় বুধবার হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা, রেমিট্যান্স, সমুদ্রপথে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহন এবং সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এবং বাংলাদেশি বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে বৈঠকের তথ্য জানানো হয়েছে।বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।তিনি বলেন, সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ, বাণিজ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘের মতো একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক ফোরামে ইরানের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৮০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংঘাতের কারণে তাদের কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকার বিষয়টিও বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংঘাতের দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারে, সে বিষয়ে ইরানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের বিষয়টিও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ যাতে গুরুতর জ্বালানি সংকটে না পড়ে, সে বিষয়ে ইরানের প্রেসিডেন্টের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান হুমায়ুন কবির।তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী উত্থাপিত বিষয়গুলো ইরানের প্রেসিডেন্ট মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য অংশীদারও বাংলাদেশের নিরপেক্ষ অবস্থানের কারণে দেশটিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।তিনি বলেন, বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ একটি ‘সফট মিডিয়াম ইনফ্লুয়েন্স’ বা নরম মধ্যস্থতাকারী প্রভাব হিসেবে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে। জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৈঠকে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন উপস্থিত ছিলেন।আ
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। স্থানীয় সময় বুধবার হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা, রেমিট্যান্স, সমুদ্রপথে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহন এবং সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এবং বাংলাদেশি বার্তা সংস্থা ইউএনবির প্রতিবেদনে বৈঠকের তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের দ্রুত ও শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়।
তিনি বলেন, সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ, বাণিজ্য এবং মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।
হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘের মতো একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক ফোরামে ইরানের প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৮০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংঘাতের কারণে তাদের কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকার বিষয়টিও বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংঘাতের দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারে, সে বিষয়ে ইরানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।
সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের বিষয়টিও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ যাতে গুরুতর জ্বালানি সংকটে না পড়ে, সে বিষয়ে ইরানের প্রেসিডেন্টের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানান হুমায়ুন কবির।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী উত্থাপিত বিষয়গুলো ইরানের প্রেসিডেন্ট মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিম এশিয়ার অন্যান্য অংশীদারও বাংলাদেশের নিরপেক্ষ অবস্থানের কারণে দেশটিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
তিনি বলেন, বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ একটি ‘সফট মিডিয়াম ইনফ্লুয়েন্স’ বা নরম মধ্যস্থতাকারী প্রভাব হিসেবে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে। জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিন উপস্থিত ছিলেন।আ