রবিবারবাংলা: ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দইংরেজি: ৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দহিজরি: ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

তিন বছরে চার শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

তিন বছরে চার শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
সংবাদটি শুনুন AI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন

‘২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছরে চার শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে বিজিএমইএর সদস্য ২৮২টি এবং বিকেএমইএর ১২৩টি কারখানা রয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

রুহুল আমিন জানতে চান, দেশে বর্তমানে কতটি তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে, সেগুলোর তালিকা কী এবং বন্ধ হওয়ার কারণ কী। একই সঙ্গে তিনি পোশাক খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথাও জানতে চান।

জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বিজিএমইএর সদস্য ২৮২টি এবং বিকেএমইএর ১২৩টি কারখানাসহ প্রায় ৪০০টির বেশি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়েছে। বন্ধ কারখানাগুলোর নামের তালিকা সংগ্রহের কাজ চলছে।

যেসব কারণে কারখানা বন্ধ

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বব্যাপী করোনা পরিস্থিতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ।

এ ছাড়া আমেরিকা-ইরানের ভয়াবহ যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক মন্দা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতাও কারখানা বন্ধের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট, ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং বিদেশি ক্রেতাদের ছোট ও মাঝারি কারখানা থেকে রপ্তানি আদেশ দিতে অনাগ্রহও এর মধ্যে রয়েছে।

বিদেশি ক্রেতারা নিজেদের মনিটরিংয়ের সুবিধার জন্য ছোট ও মাঝারি কারখানার পরিবর্তে অন্য কারখানায় বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

পোশাক খাতে সরকারের সহায়তা

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বাজার ধরে রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুদ্ধ বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতের রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ১ দশমিক ৫০ শতাংশের পাশাপাশি বিশেষ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে আরও ০ দশমিক ৫০ শতাংশ।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের নিট, ওভেন ও সোয়েটারসহ সব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত ৩ শতাংশ সুবিধা রয়েছে। এ ছাড়া তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে ০ দশমিক ৩০ শতাংশ।

বাজার তদারকি জোরদার

প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের আরেক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও তদারকি করা হচ্ছে।

জেলা পর্যায়ে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে সারা দেশে বাজার অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অতিরিক্ত দাম নেওয়া, মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট তৈরি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং অন্যান্য অনিয়মের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বাজারে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনও কাজ করছে। সিন্ডিকেট, কার্টেল ও যোগসাজশমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জনস্বার্থে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিং, তদারকি ও আইনানুগ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এসব কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
টেকসই উন্নয়নে গ্রামের উন্নয়ন জরুরি, সরাইলে জেলা পরিষদ প্রশাসক

টেকসই উন্নয়নে গ্রামের উন্নয়ন জরুরি, সরাইলে জেলা পরিষদ প্রশাসক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
পিরোজপুরে ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরে ওলামা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

‎ পিরোজপুর প্রতিনিধি
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা প্রোব এআই সহকারী

প্রস্তুত আছেন
নমস্কার / আসসালামু আলাইকুম! আমি ঢাকা প্রোব এআই সহকারী। আজকের যেকোনো খবর জানতে মুখে বলুন বা লিখুন।