সুদানে স্বর্ণের খনি ধসে নিহত বেড়ে ৮২, আটকা পড়েছেন অনেকেই
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
সুদানে স্বর্ণের খনি ধসে নিহত বেড়ে ৮২, আটকা পড়েছেন অনেকেই.
সুদানে একটি স্বর্ণের খনি ধসে অন্তত ৮২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জন। খনিতে আরও অনেকে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।দেশটির পশ্চিম কর্দোফান অঞ্চলের আল জারা এলাকায় মঙ্গলবার খনিটির কয়েকটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়ে। এতে সেখানে কাজ করা ক্ষুদ্র পরিসরের অনেক খনি শ্রমিক আটকা পড়েন। বুধবার সকাল পর্যন্ত ৮২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।আটকে পড়াদের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধারকাজে সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারী যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।আল জারায় কর্মরত এক শ্রমিক খায়ের আল-সাইদ জাবারা বলেন, আটকে পড়াদের উদ্ধারে ভারী সরঞ্জাম প্রয়োজন। পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় উদ্ধারকাজ ধীরগতিতে চলছে।আল-আমিন সুলেইমান নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, খনির সুড়ঙ্গগুলো পরস্পরের কাছাকাছি হওয়ায় একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়লে অন্যগুলোও ধসে যেতে পারে। ৮২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও আরও অনেকে ভেতরে আটকা রয়েছেন। তাদের জীবিত থাকার সম্ভাবনা কম বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।সুদানে স্বর্ণ উত্তোলনের বড় অংশই ক্ষুদ্র ও কারিগরি খনির মাধ্যমে হয়। দেশটিতে অনেক পুরোনো ও বন্ধ খনিতেও শ্রমিকরা কাজ করেন। এর বাইরে অনুমোদনহীন অনেক খনিতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই শ্রমিকেরা কাজ করেন।খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের অনেকেই হাতে ও সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে স্বর্ণ উত্তোলন করেন। এতে খনি ধসের পাশাপাশি বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকিও থাকে।২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দেশটির স্বর্ণের বাণিজ্য এই সংঘাতের অর্থায়নের অন্যতম উৎস বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।যুদ্ধের আগে সুদানে ক্ষুদ্র ও কারিগরি খনিতে ২০ লাখের বেশি মানুষ কাজ করতেন বলে জানা যায়। দেশটি আফ্রিকার অন্যতম বড় স্বর্ণ উৎপাদনকারী। সরকারি হিসাবে, গত বছর সুদানে ৭০ টন স্বর্ণ উৎপাদিত হয়েছে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।তবে দেশটির স্বর্ণের বড় একটি অংশ পাচার হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। গত জুলাইয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য সুদানের স্বর্ণ বাণিজ্যকে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।সুদানের খনি এলাকায় দুর্ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে কর্দোফানসহ দেশটির স্বর্ণসমৃদ্ধ এলাকায় অনিবন্ধিত ও ঝুঁকিপূর্ণ খনিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
সুদানে একটি স্বর্ণের খনি ধসে অন্তত ৮২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জন। খনিতে আরও অনেকে আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দেশটির পশ্চিম কর্দোফান অঞ্চলের আল জারা এলাকায় মঙ্গলবার খনিটির কয়েকটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়ে। এতে সেখানে কাজ করা ক্ষুদ্র পরিসরের অনেক খনি শ্রমিক আটকা পড়েন। বুধবার সকাল পর্যন্ত ৮২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আটকে পড়াদের সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উদ্ধারকাজে সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারী যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আল জারায় কর্মরত এক শ্রমিক খায়ের আল-সাইদ জাবারা বলেন, আটকে পড়াদের উদ্ধারে ভারী সরঞ্জাম প্রয়োজন। পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় উদ্ধারকাজ ধীরগতিতে চলছে।
আল-আমিন সুলেইমান নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, খনির সুড়ঙ্গগুলো পরস্পরের কাছাকাছি হওয়ায় একটি সুড়ঙ্গ ধসে পড়লে অন্যগুলোও ধসে যেতে পারে। ৮২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও আরও অনেকে ভেতরে আটকা রয়েছেন। তাদের জীবিত থাকার সম্ভাবনা কম বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সুদানে স্বর্ণ উত্তোলনের বড় অংশই ক্ষুদ্র ও কারিগরি খনির মাধ্যমে হয়। দেশটিতে অনেক পুরোনো ও বন্ধ খনিতেও শ্রমিকরা কাজ করেন। এর বাইরে অনুমোদনহীন অনেক খনিতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই শ্রমিকেরা কাজ করেন।
খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের অনেকেই হাতে ও সাধারণ সরঞ্জাম দিয়ে স্বর্ণ উত্তোলন করেন। এতে খনি ধসের পাশাপাশি বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকিও থাকে।
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। দেশটির স্বর্ণের বাণিজ্য এই সংঘাতের অর্থায়নের অন্যতম উৎস বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুদ্ধের আগে সুদানে ক্ষুদ্র ও কারিগরি খনিতে ২০ লাখের বেশি মানুষ কাজ করতেন বলে জানা যায়। দেশটি আফ্রিকার অন্যতম বড় স্বর্ণ উৎপাদনকারী। সরকারি হিসাবে, গত বছর সুদানে ৭০ টন স্বর্ণ উৎপাদিত হয়েছে, যা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
তবে দেশটির স্বর্ণের বড় একটি অংশ পাচার হয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। গত জুলাইয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য সুদানের স্বর্ণ বাণিজ্যকে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
সুদানের খনি এলাকায় দুর্ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে কর্দোফানসহ দেশটির স্বর্ণসমৃদ্ধ এলাকায় অনিবন্ধিত ও ঝুঁকিপূর্ণ খনিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।