কঙ্গোতে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, দুই জেনারেলসহ নিহত ১৪
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৯ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
কঙ্গোতে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, দুই জেনারেলসহ নিহত ১৪.
মধ্য আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে দুই জেনারেলসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন।শুক্রবার দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিকউইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসায় যাওয়ার পথে বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়।এরপর এটি কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গে এলাকায় জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে। কিন্তু সেখানে কোনো রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।কঙ্গো সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে এবং কোয়াঙ্গোর ডেপুটি গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্দা দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, বিমানে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটিতে আগুন ধরে যাওয়ায় ১২ জনের মরদেহ শনাক্ত করার উপায় ছিল না। পাইলটের মরদেহ বিমানের ধ্বংসাবশেষের বাইরে পাওয়া যায়।নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ছাড়াও সরকারি প্রতিনিধিদল ও কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।দুর্ঘটনার মূল কারণ জানতে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
মধ্য আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে দুই জেনারেলসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কিকউইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসায় যাওয়ার পথে বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়।
এরপর এটি কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গে এলাকায় জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে। কিন্তু সেখানে কোনো রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।
কঙ্গো সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে এবং কোয়াঙ্গোর ডেপুটি গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্দা দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, বিমানে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। বিমানটিতে আগুন ধরে যাওয়ায় ১২ জনের মরদেহ শনাক্ত করার উপায় ছিল না। পাইলটের মরদেহ বিমানের ধ্বংসাবশেষের বাইরে পাওয়া যায়।
নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ছাড়াও সরকারি প্রতিনিধিদল ও কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।
দুর্ঘটনার মূল কারণ জানতে এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।