হরমুজে পানামার জাহাজে মাইন হামলা ইরানের, যা বলল যুক্তরাষ্ট্র
Bangladesh
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৮ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
হরমুজে পানামার জাহাজে মাইন হামলা ইরানের, যা বলল যুক্তরাষ্ট্র.
হরমুজ প্রণালিতে পানামার পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এল গাইয়া’ নৌমাইনে আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। তবে এমন দাবি নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, জাহাজটি ইরানি বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে। ইরাকি বার্তাসংস্থা শাফাক নিউজ এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।সোমবার এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ‘এল গাইয়া’ নৌমাইনে আঘাত পেয়েছে বলে যে দাবি করেছে, তা মিথ্যা। গত মাসে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটি অচল হয়ে যায়।মার্কিন কমান্ড আরও জানায়, সপ্তাহ শেষে ওমানের উপকূলীয় জলসীমায় নোঙর করে থাকা জাহাজটিতে আবারও ড্রোন হামলা চালানো হয়। বর্তমানে একটি আঞ্চলিক দেশের সহায়তায় জাহাজটি টেনে নেওয়া হচ্ছে। তবে দেশটির নাম বা জাহাজটির গন্তব্য জানানো হয়নি।সেন্টকম অভিযোগ করেছে, আইআরজিসি মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ভয়ভীতি তৈরি করছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল ব্যাহত করছে।যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তিতে আইএইএ সম্মেলন থেকে বাদ পড়ে ইরান।এর আগে সোমবার আইআরজিসি দাবি করে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নিষিদ্ধ এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় ‘এল গাইয়া’ নৌমাইনে আঘাত পেয়ে আগুন ধরে যায়। দক্ষিণ দিকের অবৈধ পথের বিপদ সম্পর্কে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল বলেও জানায় তারা।আইআরজিসি আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ রয়েছে। এর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে রয়েছে। আগুন নেভানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।রোববার ভারত জানিয়েছিল, ওমানের উপকূলের কাছে ‘এল গাইয়া’ হামলার শিকার হয়েছে। জাহাজটির ১৪ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তবে হামলাটি কে বা কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে চালানো হয়েছে, তা জানায়নি নয়াদিল্লি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
হরমুজ প্রণালিতে পানামার পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজ ‘এল গাইয়া’ নৌমাইনে আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। তবে এমন দাবি নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, জাহাজটি ইরানি বাহিনীর হামলার শিকার হয়েছে। ইরাকি বার্তাসংস্থা শাফাক নিউজ এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোমবার এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ‘এল গাইয়া’ নৌমাইনে আঘাত পেয়েছে বলে যে দাবি করেছে, তা মিথ্যা। গত মাসে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটি অচল হয়ে যায়।
মার্কিন কমান্ড আরও জানায়, সপ্তাহ শেষে ওমানের উপকূলীয় জলসীমায় নোঙর করে থাকা জাহাজটিতে আবারও ড্রোন হামলা চালানো হয়। বর্তমানে একটি আঞ্চলিক দেশের সহায়তায় জাহাজটি টেনে নেওয়া হচ্ছে। তবে দেশটির নাম বা জাহাজটির গন্তব্য জানানো হয়নি।
সেন্টকম অভিযোগ করেছে, আইআরজিসি মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ভয়ভীতি তৈরি করছে এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল ব্যাহত করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আপত্তিতে আইএইএ সম্মেলন থেকে বাদ পড়ে ইরান।
এর আগে সোমবার আইআরজিসি দাবি করে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নিষিদ্ধ এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় ‘এল গাইয়া’ নৌমাইনে আঘাত পেয়ে আগুন ধরে যায়। দক্ষিণ দিকের অবৈধ পথের বিপদ সম্পর্কে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল বলেও জানায় তারা।
আইআরজিসি আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ রয়েছে। এর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে রয়েছে। আগুন নেভানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
রোববার ভারত জানিয়েছিল, ওমানের উপকূলের কাছে ‘এল গাইয়া’ হামলার শিকার হয়েছে। জাহাজটির ১৪ জন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তবে হামলাটি কে বা কী ধরনের অস্ত্র দিয়ে চালানো হয়েছে, তা জানায়নি নয়াদিল্লি।