দক্ষিণ ইউক্রেনে বাসে রুশ ড্রোন হামলা, নিহত ৫.
দক্ষিণ ইউক্রেনের দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন।বুধবার নিকোপোল শহরের আশপাশে হামলাটি চালানো হয় বলে জানিয়েছেন দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর।নিকোপোল শহরটি দনিপ্রো নদীর অপর পারে অবস্থিত জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিপরীতে। যুদ্ধের শুরুর দিক থেকেই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতে ওডেসা অঞ্চলের ভেলিকায়া বালকায় ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত সামরিক সরঞ্জামের একটি রসদকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।রুশ মন্ত্রণালয়ের দাবি, ওডেসা অঞ্চলের চেরনোমোরস্ক বন্দরে একটি পণ্যবাহী জাহাজ ও একটি ফেরিতেও হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে ইউরোপ থেকে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যবহৃত রেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে রাতভর দুই শতাধিক ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস ও প্রতিহত করার দাবিও করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
দক্ষিণ ইউক্রেনের দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলে একটি যাত্রীবাহী বাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন।
বুধবার নিকোপোল শহরের আশপাশে হামলাটি চালানো হয় বলে জানিয়েছেন দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর।
নিকোপোল শহরটি দনিপ্রো নদীর অপর পারে অবস্থিত জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিপরীতে। যুদ্ধের শুরুর দিক থেকেই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাতে ওডেসা অঞ্চলের ভেলিকায়া বালকায় ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত সামরিক সরঞ্জামের একটি রসদকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।
রুশ মন্ত্রণালয়ের দাবি, ওডেসা অঞ্চলের চেরনোমোরস্ক বন্দরে একটি পণ্যবাহী জাহাজ ও একটি ফেরিতেও হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে ইউরোপ থেকে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যবহৃত রেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশে রাতভর দুই শতাধিক ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস ও প্রতিহত করার দাবিও করেছে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।