জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা প্রোব ডেস্ক
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সভা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেওয়া অতিথিরা বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, সম্মান ও আত্মমর্যাদা নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন।তিনি জানান, চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ভাষণ, সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ছিল।হুমায়ুন কবির বলেন, অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তুরস্ক ও ইরানের রাষ্ট্রপতি, মালদ্বীপের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং ভুটান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এ ছাড়া কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হয়।সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতের কথাও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।এ ছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিব, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হয়েছে বলে জানান তিনি।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব বৈঠক ও আন্তর্জাতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে নতুন সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা বিশ্ব পরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সভা ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেওয়া অতিথিরা বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, সম্মান ও আত্মমর্যাদা নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেছেন।
তিনি জানান, চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে একটি ভাষণ, সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য, ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ছিল।
হুমায়ুন কবির বলেন, অধিবেশন চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তুরস্ক ও ইরানের রাষ্ট্রপতি, মালদ্বীপের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং ভুটান, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এ ছাড়া কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হয়।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাতের কথাও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
এ ছাড়া জাতিসংঘের মহাসচিব, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হয়েছে বলে জানান তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব বৈঠক ও আন্তর্জাতিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।