আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করবে বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা প্রোব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪১ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করবে বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী.
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে, আইন সবার জন্য সমান এবং দেশে যাতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা অনেক বছর ধরে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছি। স্বৈরাচার গত ১৭ বছর দেশের মানুষের টুঁটি চেপে ধরে রেখেছিল। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার তারা কেড়ে নিয়েছিল। মানুষকে কথা বলতে দেয়নি।’তিনি বলেন, মানুষের কষ্ট ও দুর্দশা দূর করার উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। এমনকি মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথাও তখন শুনতে চাওয়া হয়নি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ সেই স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। এরপর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের মানুষ বিএনপিকে যখন দায়িত্ব দিয়েছে, বিএনপি তার সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে যে আইন সকলের জন্য সমান। দেশে যাতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।’তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে কীভাবে আইনের শাসন ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল, তা মানুষ দেখেছে। সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন করে ধীরে ধীরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বন্ধ মিল-কারখানা চালুর মতো উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।তারেক রহমান বলেন, এসব কাজে বিঘ্ন ঘটলে ক্ষতি দেশের মানুষেরই হবে। বিদেশি মানুষের ক্ষতি হবে না।বক্তব্যে নির্দিষ্ট কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে ‘রাজনৈতিক দল’ ও ‘গুপ্তদল’ শব্দ ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, এই রাজনৈতিক দল—যারা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে—১৯৭১ সালে তাদের কী ভূমিকা ছিল। মনে আছে আপনাদের?’তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে তারা বিভিন্ন অন্যায় করেছিল এবং মা-বোনদের হয়রানি ও নির্যাতন করেছিল, এখন আবার তাদের নারী নির্যাতনের ঘটনা দেখা যাচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখছি, এই গুপ্তবাহিনীর কিছু সদস্য কীভাবে নারীদের ওপর নির্যাতন করছে এবং শুধু নির্যাতন করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। তদন্ত চলছে। যে বিষয়টি তদন্তাধীন, সে বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিনি এসব বিষয়ে দেখেছেন। মানুষের মধ্যে এমন কথাও আছে যে শুধু নির্যাতন করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি, একটি মানুষের জীবনাবসান ঘটিয়েছে।তারেক রহমান বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওই গুপ্তদলের নেতাদের সরকারের উদ্দেশে বিভিন্ন পরামর্শ দিতে দেখা গেছে।তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে হাজারো লক্ষ মানুষের সামনে আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, দয়া করে নিজের ঘরের দিকে আগে তাকান। নিজের ঘরের লোকেরা কীভাবে নারী নির্যাতন করছে, সেটি আগে সামাল দেন। তারপর অন্যকে কিছু বলতে আসেন।’
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে, আইন সবার জন্য সমান এবং দেশে যাতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা অনেক বছর ধরে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করেছি। স্বৈরাচার গত ১৭ বছর দেশের মানুষের টুঁটি চেপে ধরে রেখেছিল। দেশের মানুষের ভোটের অধিকার তারা কেড়ে নিয়েছিল। মানুষকে কথা বলতে দেয়নি।’
তিনি বলেন, মানুষের কষ্ট ও দুর্দশা দূর করার উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। এমনকি মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কথাও তখন শুনতে চাওয়া হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ সেই স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। এরপর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের মানুষ বিএনপিকে যখন দায়িত্ব দিয়েছে, বিএনপি তার সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে যে আইন সকলের জন্য সমান। দেশে যাতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।’
তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে কীভাবে আইনের শাসন ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছিল, তা মানুষ দেখেছে। সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন করে ধীরে ধীরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায় বিএনপি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বন্ধ মিল-কারখানা চালুর মতো উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এসব কাজে বিঘ্ন ঘটলে ক্ষতি দেশের মানুষেরই হবে। বিদেশি মানুষের ক্ষতি হবে না।
বক্তব্যে নির্দিষ্ট কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে ‘রাজনৈতিক দল’ ও ‘গুপ্তদল’ শব্দ ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, এই রাজনৈতিক দল—যারা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে—১৯৭১ সালে তাদের কী ভূমিকা ছিল। মনে আছে আপনাদের?’
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে তারা বিভিন্ন অন্যায় করেছিল এবং মা-বোনদের হয়রানি ও নির্যাতন করেছিল, এখন আবার তাদের নারী নির্যাতনের ঘটনা দেখা যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেখছি, এই গুপ্তবাহিনীর কিছু সদস্য কীভাবে নারীদের ওপর নির্যাতন করছে এবং শুধু নির্যাতন করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি। তদন্ত চলছে। যে বিষয়টি তদন্তাধীন, সে বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’
তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিনি এসব বিষয়ে দেখেছেন। মানুষের মধ্যে এমন কথাও আছে যে শুধু নির্যাতন করেই তারা ক্ষান্ত হয়নি, একটি মানুষের জীবনাবসান ঘটিয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওই গুপ্তদলের নেতাদের সরকারের উদ্দেশে বিভিন্ন পরামর্শ দিতে দেখা গেছে।
তিনি বলেন, ‘আজকে এখানে হাজারো লক্ষ মানুষের সামনে আমি তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, দয়া করে নিজের ঘরের দিকে আগে তাকান। নিজের ঘরের লোকেরা কীভাবে নারী নির্যাতন করছে, সেটি আগে সামাল দেন। তারপর অন্যকে কিছু বলতে আসেন।’