রবিবার|বাংলা: ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ|ইংরেজি: ১৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ|আরবি: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
ঢাকা, বাংলাদেশ
--° সে.
মেনু

মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন

অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন

ডাউনলোড করুন

‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময় বলা হয়, মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাষ্ট্রের অন্যতম অঙ্গীকার এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য। এছাড়া জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাসহ মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন, সনদ এবং এ সংক্রান্ত চুক্তিগুলো পরিপালন করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণের জন্য একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠন করা আবশ্যক। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণীত হয়। ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- কমিশন গঠন এবং এর মেয়াদকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে; একজন চেয়ারপার্সন ও চার জন কমিশনার সমন্বয়ে যে কমিশন গঠিত হবে, তাতে ন্যূনতম একজন নারী অন্তর্ভুক্তির বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে বাছাই কমিটির সুপারিশে নৃ-গোষ্ঠী, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি ও নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কমিশনের কার্যপরিধি সুস্পষ্টকরণসহ অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা সহজ করা হয়েছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, কার্যকর তদন্ত ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।

তদন্ত চলাকালীন ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বা ক্ষতি রোধে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশদানের ক্ষমতার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতিসংঘের ‘নির্যাতন বিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল’ অনুযায়ী হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম রোধকল্পে একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন
এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
মসজিদের ভেতরে মুসল্লিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম

মসজিদের ভেতরে মুসল্লিকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে জখম

মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন

ঢাকা প্রোব ডেস্ক
শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬