ইরানে টানা দশম রাতের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় ইরানও পাল্টা হামলায় কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আঘাত হানার দাবি করেছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সিরিক, বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ, চাবাহার ও কোনারাক এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর জন্য ইরানকে আরও বড় মূল্য দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, গত এক সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে সংঘাত সংশ্লিষ্ট ঘটনায় অন্তত তিন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সক্ষমতা দুর্বল করার অভিযানের অংশ হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফার হামলা চালানো হয়েছে।
সেন্টকমের ভাষ্য, সর্বশেষ হামলায় ইরানের সামরিক কমান্ড কেন্দ্র, সামুদ্রিক সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে অবস্থিত মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
এদিকে, ওমান উপকূলে আরও একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে আন্তর্জাতিক নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমুদ্রপথে অবরোধ ঘোষণার দাবি করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা