অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
শেখ হাসিনার করতে যাওয়া ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। এ অনুষ্ঠানে প্রকাশিত মতামত দিল্লি সমর্থন করে না বলেও জানানো হয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব তথ্য জানান।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে যে, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিষয়ে একটি অনলাইন সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, যা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মাধ্যমে লাইভ করা হবে। এই আলোচনা নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এক্সে ভারতের রণধীর জয়সওয়াল আরও জানান, এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম। এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো ধরনের সম্পর্ক বা জড়িত থাকার সুযোগ নেই। এমনকি ওই ফোরামে প্রকাশিত বা উপস্থাপিত কোনো মতামত কিংবা বক্তব্যকে সরকার সমর্থন করে না।
এতে আরও জানানো হয়, নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের বিশেষ ‘আউটরিচ’ সেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
পোস্টে জানানো হয়, এর আগে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এবার ব্রিকস সম্মেলন উপলক্ষ্যে তাকে নতুন করে আরেকটি আমন্ত্রণ জানাল নয়াদিল্লি।
ব্রিকস সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ সেশনে বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানানোর প্রচলিত রীতি রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
একই প্রক্রিয়ায় বিশ্বের অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের প্রধানদেরও সম্মেলনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজক দেশ ভারত।
এর আগে গতকাল সোমবার ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাতে শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য না দেন, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তিনি সতর্ক করেন যে, এ ধরনের কার্যক্রম দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
আহ্বানে হাইকমিশনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজ আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত