সাত দফা দাবিতে তিন হাজারের বেশি গাড়ির বহর.
রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘিরে সাত দফা দাবির সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি যুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।শুক্রবার দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জেলা ও মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লংমার্চের সর্বশেষ প্রস্তুতির কথা জানান ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।সমাবেশের সভাপতি ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, রংপুরের মানুষের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সাত দফার পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি যুক্ত করা হয়েছে।তিনি বলেন, “এটা হচ্ছে এই অঞ্চলের মানুষের বাঁচা-মরার দাবি। এই দাবি বাস্তবায়ন করেই ঘরে ফিরবে ১১ দল।”সাত দফা দাবিতে যা থাকছে,নেতাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১১ দলীয় ঐক্যের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সংস্কার কাউন্সিল গঠনজুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারআইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নজ্বালানি ও সার সংকট নিরসননিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণদলীয়করণ বন্ধ করাদুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করাএর সঙ্গে রংপুর অঞ্চলের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি যুক্ত হয়েছে।পাঁচ জেলায় পথসভা।মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান জানান, শনিবার সকাল ৭টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হবে। সেখানে সকাল ৮টা পর্যন্ত উদ্বোধনী সভা হবে।এরপর লংমার্চের বহর গাজীপুরের ভোগরাপাড়া, টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ, সিরাজগঞ্জ চৌরাস্তা, বগুড়ার চারমাথা এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা করবে। বিকেল ৫টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।তিন হাজারের বেশি গাড়ির বহর।এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের লংমার্চে এক হাজার গাড়ির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও দেড় হাজারের বেশি গাড়ি অংশ নিয়েছিল। রংপুরের কর্মসূচিতেও ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।তার ভাষ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত গাড়ি তালিকাভুক্তির কার্যক্রম চলছে এবং লংমার্চে তিন হাজারের বেশি গাড়ি যুক্ত হতে পারে।রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল বলেন, গাড়িবহরের পাশাপাশি বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সমাবেশে অংশ নেবেন। তিনি পাঁচ লাখের বেশি মানুষের সমাগমের আশা প্রকাশ করেন।সমাবেশ ঘিরে প্রস্তুতি।রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩০০ মাইক ও ৩৫টি এলইডি স্ক্রিন স্থাপন করা হয়েছে। লংমার্চের গাড়ি রাখার জন্য ৩০টি স্থানে ব্যবস্থা করা হয়েছে।কর্মসূচি ঘিরে রংপুর মহানগর পুলিশও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের স্বেচ্ছাসেবকেরাও দায়িত্ব পালন করবেন বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ ঘিরে সাত দফা দাবির সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি যুক্ত করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে বিকেল ৫টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে রংপুর নগরীর শাপলা চত্বরে জেলা ও মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লংমার্চের সর্বশেষ প্রস্তুতির কথা জানান ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা।
সমাবেশের সভাপতি ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, রংপুরের মানুষের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে সাত দফার পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি যুক্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “এটা হচ্ছে এই অঞ্চলের মানুষের বাঁচা-মরার দাবি। এই দাবি বাস্তবায়ন করেই ঘরে ফিরবে ১১ দল।”
সাত দফা দাবিতে যা থাকছে,
নেতাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১১ দলীয় ঐক্যের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সংস্কার কাউন্সিল গঠন
জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন
জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন
নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ
দলীয়করণ বন্ধ করা
দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা
এর সঙ্গে রংপুর অঞ্চলের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি যুক্ত হয়েছে।
পাঁচ জেলায় পথসভা।
মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান জানান, শনিবার সকাল ৭টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হবে। সেখানে সকাল ৮টা পর্যন্ত উদ্বোধনী সভা হবে।
এরপর লংমার্চের বহর গাজীপুরের ভোগরাপাড়া, টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ, সিরাজগঞ্জ চৌরাস্তা, বগুড়ার চারমাথা এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা করবে। বিকেল ৫টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তিন হাজারের বেশি গাড়ির বহর।
এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের লংমার্চে এক হাজার গাড়ির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও দেড় হাজারের বেশি গাড়ি অংশ নিয়েছিল। রংপুরের কর্মসূচিতেও ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত গাড়ি তালিকাভুক্তির কার্যক্রম চলছে এবং লংমার্চে তিন হাজারের বেশি গাড়ি যুক্ত হতে পারে।
রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল বলেন, গাড়িবহরের পাশাপাশি বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সমাবেশে অংশ নেবেন। তিনি পাঁচ লাখের বেশি মানুষের সমাগমের আশা প্রকাশ করেন।
সমাবেশ ঘিরে প্রস্তুতি।
রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৩০০ মাইক ও ৩৫টি এলইডি স্ক্রিন স্থাপন করা হয়েছে। লংমার্চের গাড়ি রাখার জন্য ৩০টি স্থানে ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কর্মসূচি ঘিরে রংপুর মহানগর পুলিশও নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্যের স্বেচ্ছাসেবকেরাও দায়িত্ব পালন করবেন বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।
সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ জাতীয় পর্যায়ের নেতাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।