কেন বিদেশি নাগরিকত্বের দিকে ঝুঁকছেন ভারতীয় ধনকুবেররা?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
কেন বিদেশি নাগরিকত্বের দিকে ঝুঁকছেন ভারতীয় ধনকুবেররা?.
ভারতের অতি-ধনী বা ধনকুবের পরিবারগুলোর মধ্যে বিদেশে স্থায়ী বাসস্থান ও নাগরিকত্ব গ্রহণের প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধিই পাচ্ছে। কেবল ব্যবসা বাড়াতে কিংবা সন্তানদের বিদেশ পাঠাতে নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার কৌশল হিসেবেই ধনী পরিবারগুলো এই পথ বেছে নিচ্ছেন। বিনিয়োগ অভিবাসন সংক্রান্ত উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান মাইআরসিবিআই ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় পরিবারগুলোর মধ্যে এই প্রবণতা এখন বেশ গতি পেয়েছে। কেন ‘প্ল্যান বি’ খুঁজছেন ভারতের ধনীরা?মাইআরসিবিআই ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ধনঞ্জয়সিং চুদাসামা জানান, বৈশ্বিক অনিচ্ছাকৃত পরিস্থিতি ও পরিবর্তনশীল কর ব্যবস্থার কারণে বিনিয়োগ অভিবাসনের এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ধনীরা। তিনি বলেন, ‘আজকে অনেক পরিবার এটাকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, যা অবাধ চলাচলের স্বাধীনতা এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগ নিশ্চিত করে। সবচেয়ে বড় কথা, এটি একটি ‘প্ল্যান বি’ হিসেবে কাজ করে।’ যাদের ব্যবসার মূল্য ১০০ কোটি রুপির বেশি, সেই সকল উদ্যোক্তা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, সিইও এবং কোটি টাকার ওপরে বেতন পাওয়া কর্পোরেট নির্বাহীরা মূলত এই সুবিধার জন্য আবেদন করছেন। অনেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহজ করতে এবং অবসর জীবনের নিরাপদ ঠিকানা হিসেবে বিদেশি নাগরিকত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। পছন্দের শীর্ষে যেসব দেশ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষ কয়েকটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র (বিশেষ করে ইবি-৫ প্রোগ্রাম), পর্তুগাল, গ্রিস, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কয়েকটি ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র। পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি বা নাগরিকত্ব থাকলে আন্তর্জাতিক যাত্রা, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। পাশাপাশি ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও এটি বিশেষ ভূমিকা রাখছে। ভারতে এই বাজারটি তুলনামূলক নতুন হলেও আগামী দুই থেকে তিন বছরে এর চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগে মুম্বাই ও দিল্লি থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন আসলেও, বর্তমানে তাদের পরপরই অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে গুজরাট। কারণ গুজরাটের বহু উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক পরিধি এখন ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিস্তার লাভ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধনকুবেরদের এই দ্বিতীয় রেসিডেন্সি বা নাগরিকত্ব গ্রহণ করার অর্থ ভারত ছেড়ে যাওয়া নয়; বরং পরবর্তী জীবনের নতুন অধ্যায় কোন দেশে শুরু করবেন, সেই স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিজেদের হাতে রাখাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। সূত্র: এনডিটিভি
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
ভারতের অতি-ধনী বা ধনকুবের পরিবারগুলোর মধ্যে বিদেশে স্থায়ী বাসস্থান ও নাগরিকত্ব গ্রহণের প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধিই পাচ্ছে। কেবল ব্যবসা বাড়াতে কিংবা সন্তানদের বিদেশ পাঠাতে নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার কৌশল হিসেবেই ধনী পরিবারগুলো এই পথ বেছে নিচ্ছেন।
বিনিয়োগ অভিবাসন সংক্রান্ত উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠান মাইআরসিবিআই ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় পরিবারগুলোর মধ্যে এই প্রবণতা এখন বেশ গতি পেয়েছে।
কেন ‘প্ল্যান বি’ খুঁজছেন ভারতের ধনীরা?
মাইআরসিবিআই ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ধনঞ্জয়সিং চুদাসামা জানান, বৈশ্বিক অনিচ্ছাকৃত পরিস্থিতি ও পরিবর্তনশীল কর ব্যবস্থার কারণে বিনিয়োগ অভিবাসনের এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ধনীরা।
তিনি বলেন, ‘আজকে অনেক পরিবার এটাকে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, যা অবাধ চলাচলের স্বাধীনতা এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আন্তর্জাতিক সুযোগ নিশ্চিত করে। সবচেয়ে বড় কথা, এটি একটি ‘প্ল্যান বি’ হিসেবে কাজ করে।’
যাদের ব্যবসার মূল্য ১০০ কোটি রুপির বেশি, সেই সকল উদ্যোক্তা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, সিইও এবং কোটি টাকার ওপরে বেতন পাওয়া কর্পোরেট নির্বাহীরা মূলত এই সুবিধার জন্য আবেদন করছেন। অনেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের পড়াশোনা ও কর্মসংস্থান সহজ করতে এবং অবসর জীবনের নিরাপদ ঠিকানা হিসেবে বিদেশি নাগরিকত্বকে প্রাধান্য দিচ্ছেন।
পছন্দের শীর্ষে যেসব দেশ
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষ কয়েকটি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র (বিশেষ করে ইবি-৫ প্রোগ্রাম), পর্তুগাল, গ্রিস, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কয়েকটি ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র।
পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি বা নাগরিকত্ব থাকলে আন্তর্জাতিক যাত্রা, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। পাশাপাশি ব্যবসায়িক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও এটি বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
ভারতে এই বাজারটি তুলনামূলক নতুন হলেও আগামী দুই থেকে তিন বছরে এর চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগে মুম্বাই ও দিল্লি থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন আসলেও, বর্তমানে তাদের পরপরই অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে গুজরাট। কারণ গুজরাটের বহু উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক পরিধি এখন ভারতের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিস্তার লাভ করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধনকুবেরদের এই দ্বিতীয় রেসিডেন্সি বা নাগরিকত্ব গ্রহণ করার অর্থ ভারত ছেড়ে যাওয়া নয়; বরং পরবর্তী জীবনের নতুন অধ্যায় কোন দেশে শুরু করবেন, সেই স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিজেদের হাতে রাখাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।