দরকষাকষির জন্য ১,৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে ইসরায়েল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ PM
শেয়ার
সংবাদটি শুনুনAI Voice
প্লে করতে বাটনে চাপুন
দরকষাকষির জন্য ১,৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে ইসরায়েল.
হামাসের কাছে কোনো ইসরায়েলি বন্দি না থাকা সত্ত্বেও ভবিষ্যৎ বিনিময় চুক্তিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ইসরায়েল প্রায় এক হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎস-এর এক প্রতিবেদনে শীর্ষ ইসরায়েলি নেতাদের সাম্প্রতিক আলোচনার বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।ইসরায়েল দীর্ঘ দিন ধরে ফিলিস্তিনিদের লাশ আটকে রাখার নীতি অনুসরণ করে আসছে। দখলকৃত পশ্চিম তীর এবং গাজা ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করার পর ইসরায়েলি বাহিনী নিয়মিতভাবে তাদের লাশ নিয়ে যায়।বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েলের এই দীর্ঘদিনের নীতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে পরিবারগুলোর কাছে লাশ হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে। ইসরায়েলি আইনের অধীনে এসব লাশ আটকে রাখার অনুমতি রয়েছে এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে তা প্রয়োগ করা হচ্ছে।তবে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী লাশ আটকে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই আইনে বলা হয়েছে যে মৃতদেহের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শন করতে হবে এবং সম্মানের সঙ্গে ধর্মীয় রীতি মেনে তাদের সৎকার বা দাফন নিশ্চিত করতে হবে।সূত্র: হারেৎস
এই সংবাদের সংবাদপত্র সংস্করণ (PDF) ডাউনলোড করুন
অফলাইন পড়ার জন্য প্রিন্ট বা পিডিএফ কপি সংগ্রহে রাখুন
হামাসের কাছে কোনো ইসরায়েলি বন্দি না থাকা সত্ত্বেও ভবিষ্যৎ বিনিময় চুক্তিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ইসরায়েল প্রায় এক হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎস-এর এক প্রতিবেদনে শীর্ষ ইসরায়েলি নেতাদের সাম্প্রতিক আলোচনার বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ইসরায়েল দীর্ঘ দিন ধরে ফিলিস্তিনিদের লাশ আটকে রাখার নীতি অনুসরণ করে আসছে। দখলকৃত পশ্চিম তীর এবং গাজা ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করার পর ইসরায়েলি বাহিনী নিয়মিতভাবে তাদের লাশ নিয়ে যায়।
বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েলের এই দীর্ঘদিনের নীতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে পরিবারগুলোর কাছে লাশ হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে। ইসরায়েলি আইনের অধীনে এসব লাশ আটকে রাখার অনুমতি রয়েছে এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে তা প্রয়োগ করা হচ্ছে।
তবে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী লাশ আটকে রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই আইনে বলা হয়েছে যে মৃতদেহের প্রতি মর্যাদা প্রদর্শন করতে হবে এবং সম্মানের সঙ্গে ধর্মীয় রীতি মেনে তাদের সৎকার বা দাফন নিশ্চিত করতে হবে।